
সমকামিতাঃ ঘুণে ধরা সমাজের অস্বস্তিকর প্রশ্ন ও উত্তরহীনতা
আসল প্রশ্ন তোলা হয় না। কেন ধর্ম, আইন, সমাজ মিলে একসাথে সমকামী, উভকামী, বৈচিত্র্যের মানুষকে একঘরে করে? কেন পরিবারের ভেতরে নিজের সন্তানের পরিচয় জানলে তাকে

আসল প্রশ্ন তোলা হয় না। কেন ধর্ম, আইন, সমাজ মিলে একসাথে সমকামী, উভকামী, বৈচিত্র্যের মানুষকে একঘরে করে? কেন পরিবারের ভেতরে নিজের সন্তানের পরিচয় জানলে তাকে

প্রথমেই পরিষ্কার করে বলা জরুরি—সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ নয়, কোন অস্বাভাবিকতা বা অক্ষমতা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে একে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সরিয়ে

ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের শেখানো হয় তুমি ভবিষ্যতের কর্তা, নারী হবে তোমার অধীন, সেবাদাসী এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য। মেয়েদের শেখানো হয় তুমি ধৈর্য ধরো, রান্নাঘরে থাকো, চুপ থাকো,

শিশুকাল থেকেই প্রতিটি মেয়েকে শেখানো হয় মেয়েরা ধৈর্য্যশীলা, তোমরা ভদ্র, তোমাদের পৃথিবী কেবল বাড়ির চার দেয়ালে, সন্তান, রান্নাঘর, স্বামীর জুতো-পালিশ, শাশুড়ির খুশী। ধর্মীয় বক্তা, সমাজপতি,

“ধর্মে নয়, কর্মে বিশ্বাসী” এই স্কুলেই গড়ে ওঠা মানুষই সত্যিকারের সভ্যতার পথিক। ধর্ম শুধু নাম, পরিচয়, চিহ্ন কিংবা আনুষ্ঠানিকতার জামা হলে চলে না। মানুষের মূল

নির্বাচন মানে ক্রিমিনালদের উৎসব, কারণ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের মদতে যারা অপরাধী, তাদেরই মনোনয়ন নিশ্চিত। দলীয় ‘শুদ্ধি অভিযানে’ কে আসলেই শুদ্ধ? ফেনীর খ্যাতিমান অপরাধী জয়নাল হাজারীর

দেখা যায়, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে না, অথবা মা মারা গেলে, বা মা দুধ খাওয়াতে অক্ষম হলে এই ব্যাংক হতে পারে