মানুষের প্রকৃত পরিচয় গড়ে উঠুক কাজের শক্তিতে

“ধর্মে নয়, কর্মে বিশ্বাসী” এই স্কুলেই গড়ে ওঠা মানুষ‌ই সত্যিকারের সভ্যতার পথিক। ধর্ম শুধু নাম, পরিচয়, চিহ্ন কিংবা আনুষ্ঠানিকতার জামা হলে চলে না। মানুষের মূল পরিচয়, শ্রেষ্ঠত্ব গড়ে ওঠে তার নিজের কাজ, আন্তরিকতা, সততা, নৈতিকতা এবং সমাজের জন্য সৃষ্টিশীল ভূমিকা থেকে।

ইতিহাসের পাতায় দেখা যায়, বাঙালি সংস্কৃতি-সভ্যতার শক্তি এসেছে ব্যক্তিগত ও সামাজিক চেষ্টায় কৃষকের ঘাম, শ্রমিকের হাত, মা-বোনের দায়িত্ববোধ, তরুণদের উদ্ভাবন, শিক্ষক-চিকিৎসকের নিরন্তর শ্রম। ধর্মীয় পরিচয় দিয়ে যুগের পরিবর্তন, সভ্যতা, রাষ্ট্র, বিজ্ঞান, শিল্প, মানবিকতা কখনোই এগিয়ে যায়নি এগিয়েছে মানুষের ব্যক্তিগত, সম্মিলিত কর্মদক্ষতা, ন্যায়বোধ, সামাজিক দায়িত্ব ও সহানুভূতিতে।

আজকের বাংলাদেশেই খোঁজ নিলে দেখা যাবে ধর্মীয় বাড়াবাড়ি, গোঁড়ামি, বিভাজন যত বেড়েছে, কর্মের শক্তি, মানবিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, সামাজিক পরিবর্তন তত পিছিয়ে গেছে। গরম কথায় ‘ঈমানী শক্তি’বলুন, কিংবা ধর্মীয় ঐতিহ্যের বুলি এসব কেবল মানুষের ব্যক্তিত্ব, মানবিকতা, বিজ্ঞানমনস্কতা রুদ্ধ করে দেয়।

কর্মে বিশ্বাসী মানে নিজের কাজে নিজেকে প্রমাণ করা, অন্যের ভালো করার চেষ্টা, সমাজে উদাহরণ স্থাপন, সৎ জীবন, স্বচ্ছ দায়িত্ববোধ। ধর্মীয় বিভেদ, কলহ, বিদ্বেষ নয়; সবার আগে সততা, অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, নিরলস চেষ্টা ও ভালোবাসার চর্চাই মানুষকে সম্মান এনে দেয়।

এই কারণেই ‘আমরা ধর্মে নয়, কর্মে বিশ্বাসী’ এটাই হওয়া উচিত নতুন প্রজন্ম, শিক্ষিত সমাজ, আধুনিক নেতৃত্বের মূলমন্ত্র। ধর্ম শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার, সমাজের উন্নয়ন, দেশের স্বপ্ন এগিয়ে নেয়ার জন্য চাই কাজ, নৈতিকতা, ও মানবিক দায়িত্ব।

সমাজে যদি পরিবর্তন আনতে হয়, ব্যর্থ গোঁড়ামি-বিদ্বেষ-ধর্মীয় ট্যাগ নয়; চাই কর্মনিষ্ঠ জীবন, মানবিক ভাবনা, শ্রেণি-ধর্ম বিচ্যুত মুক্ত উদার প্রকৃতি। মানুষ বিচার হবে তার স্বপ্ন, শ্রম, কর্ম, নৈতিকতা আর আদর্শের বিচারে not ধর্মীয় ক্লেম দিয়ে।

ধর্ম নয়, কর্মই মানুষের, দেশের, সভ্যতার প্রকৃত ভিত্তি এটাই হোক আমাদের চলার স্লোগান।

27 Responses

  1. পরিশ্রমকেই মানুষের সত্যিকার পরিচয় বলা উচিত।

  2. যে যত বেশী কাজ করবে, সমাজে তার স্থান তত উঁচু।

  3. কাজই মানুষকে অনন্য করে তোলে।

  4. সমাজে কাজের সংস্কৃতি গড়ে তুললে অনেক ভেদাভেদ মুছে যাবে।

  5. সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ না দেখে গণমানুষের জন্য কাজ করা দরকার।

  6. মানবতার আসল রূপ কর্মকাণ্ডে প্রকাশ পায়।

  7. যেখানে কাজের সুযোগ বেশি, সেখানে সাফল্যের ঝলক বেশি।

  8. পরিচয়ের চেয়ে কাজের দক্ষতা বড়।

  9. চেষ্টার মাধ্যমে মানুষ পরিচিত হয়।

  10. পরিচয়ের চেয়ে গুণ ও শ্রমের মূল্য বেশি।

  11. আপনার নজরকাড়া বক্তব্য পড়ে অনুপ্রাণিত হলাম।

  12. মনোযোগের সাথে কাজ করলেই সাফল্য আসে।

  13. কাজের প্রতি নিবেদিত হতে চাই।

  14. সম্মান অর্জন শুধু রক্তে নয়, কাজে।

  15. শিক্ষা ও সৎকর্মেই পরিচয় বড় হয়।

  16. সবাইকে নিজ নিজ কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

  17. এই মত অত্যন্ত সময়োপযোগী।

  18. সঠিক পথে কাজ করলে পরিচয় আপনাআপনি গড়ে ওঠে।

  19. নিজেকে প্রমাণ করতে হলে কাজের বিকল্প নেই।

  20. আপনার কথা অনুপ্রেরণা দেয়।

  21. ইচ্ছাশক্তি ও কর্মশক্তি থাকলে মানুষ নিজেই পথ বানিয়ে নেয়।

  22. জীবনের সার্থকতা কাজের মধ্যেই।

  23. ধন-সম্পদের নয়, কাজের গর্ব সবার মালিক হওয়া উচিত।

  24. মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন তার কর্মেই ফুটে ওঠে।

  25. শুধু জন্মসূত্রে পরিচয় নয়, বাস্তবে সমাজে অবদান দেখতে চাই।

  26. শুধু কথায় নয়, কর্মে যোগ্যতা প্রমাণ জরুরি।

  27. পরিচয়ে কাজ বড় পরিচয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *