দেখা যায়, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে না, অথবা মা মারা গেলে, বা মা দুধ খাওয়াতে অক্ষম হলে এই ব্যাংক হতে পারে তাদের নতুন জীবন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্পষ্ট, নবজাতকের জন্য টানা ৬ মাস বুকের দুধ অত্যাবশ্যক হলো বুদ্ধিমত্তা, স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ, শারীরিক বিকাশ, সবকিছুতেই এর গুরুত্ব অপরিসীম। আজও দেশে শিশু মৃত্যুর মূল কারণ অপুষ্টি ও মাতৃমৃত্যু এই ব্যাংক ঠিক সমস্যার মূলে আঘাত করতে পারে।
এসব বাস্তবতায় ধর্মীয় কানাকানি: কোনো শিশু যদি অন্য কোনো মায়ের দুধ পান করে, পরে সে কিনা সম্পর্কিত কাউকে বিয়ে করতে পারবে এই “ধর্মীয় ফিকাহ” রক্ষার জন্য শিশুর জীবন ঝুঁকিতে রাখা হলো! অথচ ঘরের দরজায় দেখতে পাই, নিজের মেয়েকে ধর্ষণ করা, ছাত্রকে বলাত্কারকারী শিক্ষক, এসব ধর্মের বাজারে “বৈধ” তখন রিট নেই, আন্দোলন নেই!
আমি শুধুই জানি, মানুষের প্রাণের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। নবজাতক শিশু যখন বুকের দুধ পায় না, তখন আপনার ধর্মীয় কোলাহলে তার মুখে দু’ফোঁটা দুধ যাবে না এই নিষ্ঠুরতা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। জীবন বাঁচানো ফরজ, বাকিটা পরে।
ধর্মের নামে মানবতা হরণকারীদের বলি এটা আমাদের জাতির কলঙ্ক। আমাদের প্রচণ্ড অমানবিকতা, নিকৃষ্ট মানসিকতা প্রকাশ পায় তখনই যখন নবজাতকের জীবন বাঁচানো নয়, বরং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক আইনত বৈধ কি না এই আজাইরা অজুহাতে মানবতা ত্যাগ করি।
সত্যি বলতে কী, কবে কাকে বিয়ে হবে, কে কার দুধ খেয়েছে এসবটা তো জীবন রক্ষার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ না। ধর্ম যদি আমাদেরকে নিছক সম্পর্ক, আচারের চোখে আটকে রাখে, তবে জীবনকে দাম দেয়া শিখতে হবে।
সংক্ষেপে ব্রেস্ট মিল্ক ব্যাংক আটকে রাখার চেয়ে মানবতার দিকে তাকাও, শিশুদের বেঁচে উঠার উপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দাও। ধর্মান্ধতা না, মানবতার জন্য আন্দোলন হওয়া উচিত। জীবনই সবচেয়ে বড়, ধর্ম নয়।
12 Responses
একজন ব্লগার এর এই লেখাটিতো আমি কোনও খারাপ দিক দেখছি না।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে লেখতে তোদের এত উৎসাহ কেনো।মুসলিমরা তোদের কি করছে।
সত্যি বলছেন ভাই আপনার এই লেখাকে আমি সমর্থন করি।
আপনি এতো কথা বলছেন কেনো আপনার সমস্যা কি।বেশি কথা বলবেন না।
এই শয়তান এর বাচ্চা মুসলিমদের প্রতি তোদের এতো ঘৃণা কেনো।
এই লেখায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে লেখায় আমি নিন্দা প্রকাশ করছি।
বাংলাদেশে যত নোংরামী কাজ রয়েছে সবকিছুতে নাস্তিক ব্লগাররা জড়িত থাকে।
চমৎকার হয়েছে আপনার পোস্টটি।
নাস্তিকরা সবসময় ইসলাম বিরোদী কাজ করে বেড়ায়।
ব্লগাররা মদ খেয়ে লেখালেখি করে বলে তাদের এই লেখাকে কেউ বিশ্বাস করে না।তাদের এই লেখা যৌক্তিকতা নেই।
অত্যন্ত সুন্দর লেখনী।
মুসলমানদের নিয়ে ব্লগাররা কেন এতো মাথা ঘামায়।