
সমকামিতা বর্জিত কোনো ধর্ম নেই
খ্রিস্টধর্মের ছোট্ট একটি অনুসন্ধান-দৃষ্টান্ত দেখলেই বোঝা যায়, লেভিটিকাসে (ওল্ড টেস্টামেন্ট) সমকামিতার বিরুদ্ধে কট্টর শাস্তির কথা বলা হয়েছে “একজন পুরুষ অন্য পুরুষের সঙ্গে নারীর মতো বিছানায়

খ্রিস্টধর্মের ছোট্ট একটি অনুসন্ধান-দৃষ্টান্ত দেখলেই বোঝা যায়, লেভিটিকাসে (ওল্ড টেস্টামেন্ট) সমকামিতার বিরুদ্ধে কট্টর শাস্তির কথা বলা হয়েছে “একজন পুরুষ অন্য পুরুষের সঙ্গে নারীর মতো বিছানায়

বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, নেদারল্যান্ড থেকে শুরু—বিভিন্ন দেশ সমলিঙ্গের বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ করেছে। জাতিসংঘ পর্যন্ত বলেছে, যৌন পরিচয় বা আকাঙ্ক্ষার জন্য কাউকে বন্দী, নির্যাতন, হত্যা—এটা সরাসরি

কিন্তু আজও ধর্মীয় গোঁড়ামি, কট্টর দর্শনের হাত ধরে ধর্মীয় প্রচারক, আলেম, ইসলামপন্থিরা এই ৩৭৭ ধারার অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষের যৌন পরিচয় খণ্ডিত করে, অপমান করে,

যৌনপ্রবৃত্তির ব্যাপারে জনগণের ধারণা আজও এমন, যেন বিপরীতকামিতা বাদে আর কিছু জানার দরকার নেই। সত্যটা বোঝা দরকার, কেউ আকৃষ্ট হয় বিপরীত লিঙ্গের দিকে, কেউ শুধু

বাংলাদেশের ধর্মান্ধ সমাজ, পুরুষতান্ত্রিক পরিবার, ইসলামিক কট্টররা যখনই সমকামিতার কথা উঠলেই গালাগালি, নিপীড়ন, ধ্বংসের হুমকি দেয়, তখন বিরাট প্রশ্ন উঠে—আপনার দিনের শেষে নিজের সন্তানের চোখে

আসল প্রশ্ন তোলা হয় না। কেন ধর্ম, আইন, সমাজ মিলে একসাথে সমকামী, উভকামী, বৈচিত্র্যের মানুষকে একঘরে করে? কেন পরিবারের ভেতরে নিজের সন্তানের পরিচয় জানলে তাকে

প্রথমেই পরিষ্কার করে বলা জরুরি—সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ নয়, কোন অস্বাভাবিকতা বা অক্ষমতা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে একে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সরিয়ে

তোমরা মুক্তি চেয়েছিলে, চিন্তা করেছিলে, সাহস দেখিয়েছিলে। আর তার বিনিময়ে ধর্মের দোহাই দিয়ে একদল বিকৃত, অমানবিক খুনি তোমাদের নিভিয়ে দিলো। তোমাদের রক্ত শুকিয়ে মিশে গেছে

এই বিচারহীনতা কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, এটা পুরোটাই ধর্মীয় উন্মাদনা আর রাষ্ট্রীয় অবহেলার ফল। হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়, নতুন শিকার দেখে উল্লসিত হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

ধর্মীয় সমাজ প্রচার করে সমকামিতা মহাপাপ, নবী লুতের জাতিকে পাথর বর্ষণ করে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। অথচ সত্যটা হলো, এই গল্পটা চিরকাল নারী-পুরুষের সম্পর্ক, যৌনতা, বৈচিত্র্য