
বাংলাদেশ কি ধর্ষকের দেশ হয়ে যাচ্ছে?
ধর্ষণের কারণ খুঁজতে গেলে পায়ের নিচে কাঁটা ছড়ানো আমাদের সমাজ, যেখানে ধর্ম, শিক্ষা, পরিবার, আইন সবখানেই নারীর প্রতি অবজ্ঞা ও বাজে মানসিকতার স্পষ্ট ছায়া। বাড়ি,

ধর্ষণের কারণ খুঁজতে গেলে পায়ের নিচে কাঁটা ছড়ানো আমাদের সমাজ, যেখানে ধর্ম, শিক্ষা, পরিবার, আইন সবখানেই নারীর প্রতি অবজ্ঞা ও বাজে মানসিকতার স্পষ্ট ছায়া। বাড়ি,

বস্তুনিষ্ঠ সত্য হলো নারীর অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি থাকলেও অভ্যন্তরীণ সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক কাঠামো এখনও নারীর প্রকৃত স্বাধীনতার পথে প্রধান বাধা। পরিবারের স্তরেই

নারীরা বেশি শিকার হলেও, শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, পুরুষ, বয়োবৃদ্ধ কারও জায়গা ছাড়ে না এই অদৃশ্য হিংস্রতা। মেয়েকে মোটা হলে, ছেলেকে খাটো হলে, কেউ কালো হলে, কেউ

পারিবারিক নির্যাতন অনেকরকম শারীরিক নিপীড়ন (চড়, ঘুষি, লাথি, গলা টিপে ধরা, হাত-পা বেঁধে রাখা), মানসিক নির্যাতন (অপমান, গালিগালাজ, হুমকি, সন্দেহ, মূল্যহীনতা), অর্থনৈতিক নিপীড়ন (টাকা না

কেন এত কথা, এত সভা, আইন, বিবৃতি, দিবস তবুও নারীর অধিকার ও সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ? সমাজ নারীর ‘যোগ্যতা’কে আজও দেখে ভালো স্ত্রী, মেয়ে, মা, ঘরোয়া, নিঃস্বার্থ

শিশুকাল থেকেই মেয়েদের বলা হয় “বেশি পড়ে লাভ নেই, পরিবার ভাঙবে, স্বামী পাবে না, মেয়েদের পড়াশোনা মানে বাড়তি ঝামেলা।” উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখার আগেই ধর্মীয় ফতোয়া,

সবাই জানে, মুখে ইসলাম-ইসলাম করে, অথচ সৎ চিন্তা, নৈতিকতা, সহানুভূতি, মানবিকতা কোনখানে নেই। রোজা রেখে হাঁটু পর্যন্ত দাড়ি রাখা, কোরান হাতে ছবি, অথচ ধর্মীয় ফতোয়া,

কিন্তু আজও ধর্মীয় গোঁড়ামি, কট্টর দর্শনের হাত ধরে ধর্মীয় প্রচারক, আলেম, ইসলামপন্থিরা এই ৩৭৭ ধারার অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষের যৌন পরিচয় খণ্ডিত করে, অপমান করে,

বিশ্বজুড়ে যারা জঙ্গিবাদের পথ বেছে নেয়, তাদের মধ্যে কোরানের এই অন্ধতাকে উগ্ররাজনীতির অস্ত্র হিসেবে নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়। মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিলের ক্ষমতাকান স্বঘে ঘুরে

রাষ্ট্রীয় গুন্ডামি মানে শুধুমাত্র নৃশংস দমন নয়, বরং এটা এক কাঠামোগত, প্রাতিষ্ঠানিক বিভীষিকা আইন, বিচার, প্রশাসন, পুলিশের চূড়ান্ত ব্যবহার করে সারাদেশকে ভয়, চুপ, আত্মসমর্পণে বাধ্য