
সমাজের অজ্ঞানতার অন্ধকারে মানবিকতার সংগ্রাম
যৌনপ্রবৃত্তির ব্যাপারে জনগণের ধারণা আজও এমন, যেন বিপরীতকামিতা বাদে আর কিছু জানার দরকার নেই। সত্যটা বোঝা দরকার, কেউ আকৃষ্ট হয় বিপরীত লিঙ্গের দিকে, কেউ শুধু

যৌনপ্রবৃত্তির ব্যাপারে জনগণের ধারণা আজও এমন, যেন বিপরীতকামিতা বাদে আর কিছু জানার দরকার নেই। সত্যটা বোঝা দরকার, কেউ আকৃষ্ট হয় বিপরীত লিঙ্গের দিকে, কেউ শুধু

সবচেয়ে বিস্ময়কর, ধর্মের নামে কট্টররা নিজেরাই অহংকারে ভরা। যারা ভিন্নমত পোষণ করেন, নারীর স্বাধীনতা, মানবাধিকারের কথা বলেন, তাদের এক মুহূর্তেই কাফের, মুরতাদ, ইসলাম বিদ্বেষী বলে

রাষ্ট্রীয় গুন্ডামি মানে শুধুমাত্র নৃশংস দমন নয়, বরং এটা এক কাঠামোগত, প্রাতিষ্ঠানিক বিভীষিকা আইন, বিচার, প্রশাসন, পুলিশের চূড়ান্ত ব্যবহার করে সারাদেশকে ভয়, চুপ, আত্মসমর্পণে বাধ্য

বাংলাদেশের ধর্মান্ধ সমাজ, পুরুষতান্ত্রিক পরিবার, ইসলামিক কট্টররা যখনই সমকামিতার কথা উঠলেই গালাগালি, নিপীড়ন, ধ্বংসের হুমকি দেয়, তখন বিরাট প্রশ্ন উঠে—আপনার দিনের শেষে নিজের সন্তানের চোখে

আসল প্রশ্ন তোলা হয় না। কেন ধর্ম, আইন, সমাজ মিলে একসাথে সমকামী, উভকামী, বৈচিত্র্যের মানুষকে একঘরে করে? কেন পরিবারের ভেতরে নিজের সন্তানের পরিচয় জানলে তাকে

প্রথমেই পরিষ্কার করে বলা জরুরি—সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ নয়, কোন অস্বাভাবিকতা বা অক্ষমতা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে একে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সরিয়ে

ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের শেখানো হয় তুমি ভবিষ্যতের কর্তা, নারী হবে তোমার অধীন, সেবাদাসী এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য। মেয়েদের শেখানো হয় তুমি ধৈর্য ধরো, রান্নাঘরে থাকো, চুপ থাকো,

পুরুষের অধিকার, সুবিধা, স্বাধীনতা, বিচার সমস্ত মানবাধিকার ইসলামে শুধু পুরুষের সম্মুখে উন্মুক্ত। নারীর জীবন, স্বাধীন চিন্তা, যৌনতা, শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, সম্পত্তি সব কিছু নিয়ন্ত্রণে, সীমাবদ্ধতায়, অর্ধেক-অধিকারে,

শিশুকাল থেকেই প্রতিটি মেয়েকে শেখানো হয় মেয়েরা ধৈর্য্যশীলা, তোমরা ভদ্র, তোমাদের পৃথিবী কেবল বাড়ির চার দেয়ালে, সন্তান, রান্নাঘর, স্বামীর জুতো-পালিশ, শাশুড়ির খুশী। ধর্মীয় বক্তা, সমাজপতি,

“ধর্মে নয়, কর্মে বিশ্বাসী” এই স্কুলেই গড়ে ওঠা মানুষই সত্যিকারের সভ্যতার পথিক। ধর্ম শুধু নাম, পরিচয়, চিহ্ন কিংবা আনুষ্ঠানিকতার জামা হলে চলে না। মানুষের মূল