
নারীর অগ্রগতির পথে ইসলাম ধর্মের দুর্ভেদ্য বাধা
ইসলাম ধর্মের নামে কট্টররা নারীকে গৃহবন্দি রাখার অপপ্রয়াস চালিয়ে গেছে যুগের পর যুগ। মেয়েদের গায়ে বোরকা চাপিয়ে, উচ্চশিক্ষায় রীতিমতো নিষেধাজ্ঞা জারি করে, কর্মজীবনে যেতে দিলেই

ইসলাম ধর্মের নামে কট্টররা নারীকে গৃহবন্দি রাখার অপপ্রয়াস চালিয়ে গেছে যুগের পর যুগ। মেয়েদের গায়ে বোরকা চাপিয়ে, উচ্চশিক্ষায় রীতিমতো নিষেধাজ্ঞা জারি করে, কর্মজীবনে যেতে দিলেই

পর্দার যুক্তি তুলে যারা চিৎকার করে তারা বলে, নারী পর্দায় থাকলে সে ‘শুদ্ধ’, সে সম্মানিত, সে ‘বাঁচা’। অথচ একই সাথে তাদের সমাজে পর্দার আড়ালেই নারী

কিন্তু আজও ধর্মীয় গোঁড়ামি, কট্টর দর্শনের হাত ধরে ধর্মীয় প্রচারক, আলেম, ইসলামপন্থিরা এই ৩৭৭ ধারার অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষের যৌন পরিচয় খণ্ডিত করে, অপমান করে,

বেশ কয়েক বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার দেখা হল ভাড়াটিয়া দম্পতির স্ত্রীর সঙ্গে। অল্পবয়সী, পড়াশোনাপ্রিয় মেয়ে, অবিরাম কাঁদছিল। জানা গেল,

বিশ্বজুড়ে যারা জঙ্গিবাদের পথ বেছে নেয়, তাদের মধ্যে কোরানের এই অন্ধতাকে উগ্ররাজনীতির অস্ত্র হিসেবে নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়। মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিলের ক্ষমতাকান স্বঘে ঘুরে

হিউম্যান মিল্ক ব্যাংকের মতো জরুরি, মানবিক উদ্যোগ যখন ধর্মীয় গোঁড়ামি, আলেমদের কুসংস্কার আর অন্ধত্বের কারণে হাইকোর্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়, তখন বোঝা যায়, ধর্মের নামে শিশু

কেউ যদি ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করেন, নারী বা সমকামিতার পক্ষে দাঁড়ান, বিজ্ঞানের পক্ষে কথা বলেন, এলজিবিটি, সংখ্যালঘু, নারী, নবীন, বৃদ্ধ সবাই যে মুহূর্তেই মূলধারার ধর্মীয়

ধর্মীয় কট্টর, উগ্রবাদী মুসলিমদের স্বর তুলতে তুলতে মোডারেটরা মাঝরাস্তায় থেমে যান; মৌলিক প্রশ্নে এসে ধর্মের সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে যান। নারীর অধিকার, সমকামিতা, মুক্তচিন্তা, সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা

আমরা এমন বাস্তবতায় দাঁড়িয়েছি যেখানে নারীর পাশাপাশি শিশুকন্যারও ঘরে-বাইরে কোথাও নিরাপত্তা নেই। কেউ কেউ নিপীড়িত হলে প্রতিবাদ করেন, কিন্তু শিশুদের শেখানো হয় চুপ করে থাক,

ঢাকা লিট ফেস্টে নারীবাদীদের পোশাকিয়ে প্রচণ্ড আলোচনা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, “অমুক নারীবাদী কতটা খোলামেলা পোশাক পরলো, সে কি সত্যিকারের নারীবাদী?” বাস্তবতায়, নারীর বেঁচে থাকার