
বাংলাদেশে সমকামী পরিচয়ের সংকট, বৈষম্যের ভুল চক্রে মানুষ
বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, নেদারল্যান্ড থেকে শুরু—বিভিন্ন দেশ সমলিঙ্গের বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ করেছে। জাতিসংঘ পর্যন্ত বলেছে, যৌন পরিচয় বা আকাঙ্ক্ষার জন্য কাউকে বন্দী, নির্যাতন, হত্যা—এটা সরাসরি

বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, নেদারল্যান্ড থেকে শুরু—বিভিন্ন দেশ সমলিঙ্গের বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ করেছে। জাতিসংঘ পর্যন্ত বলেছে, যৌন পরিচয় বা আকাঙ্ক্ষার জন্য কাউকে বন্দী, নির্যাতন, হত্যা—এটা সরাসরি

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, নারীকে যুগের পর যুগ ধরে ধর্ম, সমাজ, আইন, সংস্কৃতি সবকিছু দিয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষ বানানো হয়েছে। শিক্ষা, সম্পত্তি, মুক্তপ্রকাশ, কর্মক্ষেত্র, এমনকি

কেন এত কথা, এত সভা, আইন, বিবৃতি, দিবস তবুও নারীর অধিকার ও সম্মান প্রশ্নবিদ্ধ? সমাজ নারীর ‘যোগ্যতা’কে আজও দেখে ভালো স্ত্রী, মেয়ে, মা, ঘরোয়া, নিঃস্বার্থ

শিশুকাল থেকেই মেয়েদের বলা হয় “বেশি পড়ে লাভ নেই, পরিবার ভাঙবে, স্বামী পাবে না, মেয়েদের পড়াশোনা মানে বাড়তি ঝামেলা।” উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখার আগেই ধর্মীয় ফতোয়া,

মানুষের মন, অনুভূতি, স্বপ্ন সবচেয়ে বড় স্বাধীনতার চাহিদা নারীর ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত। মেয়ের মনে শান্তির মোড়কে বাস্তব অশান্তি চাপা পড়ে থাকে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে

পাড়া-প্রতিবেশ, আত্মীয়স্বজন, অফিস, শিক্ষা—সবখানেই নারীর স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের সংস্কৃতি। কে কী পোশাক পরে, কোথায় যায়, কতটুকু হাসে, কার সাথে কথা বলে, এসব তদারকি চলে দিনের পর

মদিনার সত্যিকারের উন্নয়ন-কাহিনিতে সম্মিলিত শ্রম, রক্ত, ঘাম, কান্না – সব ছিল। ইসলামিক বাহিনীর বিজয়ের গল্পের আড়ালে সেইসব ইহুদি, খ্রিষ্টান, ধর্মনিরপেক্ষ মানুষদের কষ্ট, সংগ্রাম, জীবনের মূল্য

সবাই জানে, মুখে ইসলাম-ইসলাম করে, অথচ সৎ চিন্তা, নৈতিকতা, সহানুভূতি, মানবিকতা কোনখানে নেই। রোজা রেখে হাঁটু পর্যন্ত দাড়ি রাখা, কোরান হাতে ছবি, অথচ ধর্মীয় ফতোয়া,

একজন ডাক্তার হওয়ার সুবাদে মেডিকেলের ন্যূনতম জ্ঞান থাকলেও, জাকির নায়েক বিজ্ঞান, শুধুমাত্র ধর্মীয় বয়ান, অদ্ভুত উদাহরণ, ভুল তথ্য ছড়াতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। চন্দ্র, সূর্য, বিকাশ,

আলেমরা সব সময় ধর্মের নাম নিয়ে জনগণকে বোকা বানাতে পছন্দ করেন। বড় বড় ফতোয়া, পাঞ্জাবি-দাড়ি, চেতনাহীন বয়ান, নারীর পর্দা সম্পর্কে অসংখ্য কুসংস্কার, সর্বক্ষণ নারীকে ছোট