বেশ কয়েক বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার দেখা হল ভাড়াটিয়া দম্পতির স্ত্রীর সঙ্গে। অল্পবয়সী, পড়াশোনাপ্রিয় মেয়ে, অবিরাম কাঁদছিল। জানা গেল, সে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। কারণ জানতে চাইলে হতবাক হয়ে গেলাম। স্বামীর প্রতি তার অভিযোগ—সবসময় সন্দেহ, কোনো ফোন নেই, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ নেই, বাইরে যাওয়া মানা। বাড়ির কাজ, বাড়ির কারণ, সবই চাপিয়ে দেয়া। নিজের লেখাপড়ার সার্টিফিকেটও স্বামীর কাছে, যেন চাকরির সুযোগ না থাকে। ভাই অসুস্থ, যেতে চাইলে নগ্ন করে তার শরীরে টাকা আছে কি না, তাও দেখেছে। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের এমন গল্পে তার তিন বছরের সংসার ধূসর, যন্ত্রণা আর সংকোচে ভরা।
এভাবে একজন নারী দিনের পর দিন এই অত্যাচার সহ্য করেন। কখনও প্রতিবাদ করেন না, কারণ তাকে শেখানো হয়েছে—নারীর কাজ মাথা নিচু করে জীবন কাটানো। শিক্ষিত হোক, অশিক্ষিত—সব নারীর একটাই সমাধান; কষ্ট হলে চুপ থেকে, সহ্য করে, শেষ পর্যন্ত যদি পথ না মেলে, আত্মহননের মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেন। অথচ নিজের জীবন শেষ করে ফেলার সিদ্ধান্ত কখনও সমস্যা সমাধান করতে পারে না। এই পথ নয়, পরিবর্তনের আসল পথ Courage বা সাহস।
আমরা কবে নিজের জন্য ভাবতে শিখব? আর কত অপমান, কত শোষণ, কত অত্যাচার সহ্য করলে প্রতিবাদী হব? নারীর সাহসিকতা অনেক মেয়ের অনুপ্রেরণা, আশার আলো হয়ে ওঠে। এই সাহসিকতা নিজের জীবনের, সমাজের, ভবিষ্যতের জন্য জরুরি। হাজার হাজার নারী এই গল্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছে, একটাই আশায়, একদিন কেউ রুখে দাঁড়াবে, কেউ বলবে, “চুপ করে থাকা নয়, প্রতিবাদ চাই।” আত্মহত্যা কোনো পথ নয়, সাহসিকতাই সত্যিকারের যুদ্ধ।
সমাজে পরিবর্তন চাইলে, নিজের অনুপ্রেরণা নিয়ে, আশার কথার আলোয়, নারীরা সাহসের ইতিহাস লিখুক। তাই আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেবেন না, নিজের জীবনকে, সম্মানকে, অধিকারকে রক্ষা করতে, সাহসিকতা দেখান, প্রতিবাদ জানান, নতুন দিনের আলোয় নিজের পথ গড়ে তুলুন।
36 Responses
বিয়ে ছেড়ে নিজের সিদ্ধান্তে জীবন গড়ার সাহস গড়তে হবে নারীদের।
প্রতিবাদকে আর গোপন রাখার নয়, জীবন বদলের হাতিয়ার হিসেবে দেখতে হবে।
জীবনের মুক্তি পেতে হলে প্রতিবাদের পথে সাহসী হতে হবে।
সাহসী নারীরা সমাজের ভীতপুরুষকে বদলে দেয়।
পরিবারের চেপে ধরা নিয়মের বাইরেও নারীরা জীবন গড়ার অধিকার রাখে।
সাহসী প্রতিবাদের মাধ্যমে নারীরা নিজেদের মুক্তি নিশ্চিত করে।
তুমি কত সাইজের ব্রা পড়?
বিবাহ কখনোই মানুষের একমাত্র মুক্তির পথ নয়।
প্রতিবাদের শক্তিই সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে।
সাহসী নারীরা প্রতিকূলতায়ও নিজের অধিকার রক্ষায় অটল।
বিয়ের বোঝা না নিয়ে নিজের ইচ্ছার সঙ্গে জীবন বাঁচানোর লড়াই।
সমাজকে নারীদের প্রতিবাদের গুরুত্ব বুঝতে হবে।
মুক্ত জীবন পেতে প্রতিটি নারীর সাহস চাই।
জীবনের মুক্তি দাও, জোর করো না বিয়েকে।
নারীর স্বাধীনতার পথে প্রতিবাদের গুরুত্ব অপরিসীম।
বিদেশে নারীরা রাস্তায় নগ্ন হয়ে নারী অধিকার চায়, তুই ও এরকম ল্যাংটা গয়ে শাহবাগে দাঁড়িয়ে থেকে স্লোগান দিবি? খুব ভাল লাগবে কিন্তু
বিয়ে নয়, নিজের পছন্দের জীবনে সুখ।
প্রতিবাদ করলেই সম্ভব নারীর সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা।
নারীর সমাজে অবস্থান গড়তে প্রতিবাদ অত্যন্ত প্রয়োজন।
প্রতিবাদ করা মানেই করতে হবে বদল, পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।
নারীর জীবনের স্বাধীনতা বিয়ের পরেও থাকতে হবে।
নিজের পছন্দে নারী জীবন গড়তে পারলেই মুক্তি।
বিয়ে নয়, জীবন বদলের লড়াই করাই আসল বিজয়।
প্রতিবাদের মাধ্যমে নারীরা সমাজে সঠিক স্থান পাচ্ছে।
নিজেদের পছন্দমতো জীবন গড়াই আসল স্বাধীনতা।
সাহসী প্রতিবাদ ছাড়া নারীর মুক্তি অসম্ভব।
কোনো নিয়ন্ত্রণ নয়, নিজেদের ইচ্ছাই জীবনের নিয়ামক।
মেয়েরা প্রতিবাদের মাধ্যমে নিজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করছে।
বিয়ের পেছনে পিছু হঠা নয়, সাহসী হোন।
নারীরা সমাজ বদলাতে প্রতিবাদের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে।
নিজের পছন্দের পথে এগোনোই জীবনের মুক্তি।
বিবাহ নয়, নারীর সম্মান রক্ষায় প্রতিবাদ জরুরি।
সাহসী শব্দটি মেয়েদের জীবনের নায়ক।
মেয়েরা নিজেদের মুক্তির লড়াই এভাবে চালিয়ে যাবে।
বিয়ের পেছনে কান না দিয়েই জীবনের পথ বেছে নেওয়া দরকার।
প্রতিবাদী নারীরাই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।