
পর্দা – নারীর সুরক্ষা নাকি কৌশলী প্রলোভনের ফাঁদ?
পর্দার যুক্তি তুলে যারা চিৎকার করে তারা বলে, নারী পর্দায় থাকলে সে ‘শুদ্ধ’, সে সম্মানিত, সে ‘বাঁচা’। অথচ একই সাথে তাদের সমাজে পর্দার আড়ালেই নারী

পর্দার যুক্তি তুলে যারা চিৎকার করে তারা বলে, নারী পর্দায় থাকলে সে ‘শুদ্ধ’, সে সম্মানিত, সে ‘বাঁচা’। অথচ একই সাথে তাদের সমাজে পর্দার আড়ালেই নারী

বিশ্বজুড়ে যারা জঙ্গিবাদের পথ বেছে নেয়, তাদের মধ্যে কোরানের এই অন্ধতাকে উগ্ররাজনীতির অস্ত্র হিসেবে নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়। মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিলের ক্ষমতাকান স্বঘে ঘুরে

হিউম্যান মিল্ক ব্যাংকের মতো জরুরি, মানবিক উদ্যোগ যখন ধর্মীয় গোঁড়ামি, আলেমদের কুসংস্কার আর অন্ধত্বের কারণে হাইকোর্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়, তখন বোঝা যায়, ধর্মের নামে শিশু

কেউ যদি ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করেন, নারী বা সমকামিতার পক্ষে দাঁড়ান, বিজ্ঞানের পক্ষে কথা বলেন, এলজিবিটি, সংখ্যালঘু, নারী, নবীন, বৃদ্ধ সবাই যে মুহূর্তেই মূলধারার ধর্মীয়

ধর্মীয় কট্টর, উগ্রবাদী মুসলিমদের স্বর তুলতে তুলতে মোডারেটরা মাঝরাস্তায় থেমে যান; মৌলিক প্রশ্নে এসে ধর্মের সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে যান। নারীর অধিকার, সমকামিতা, মুক্তচিন্তা, সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা

সবচেয়ে বিস্ময়কর, ধর্মের নামে কট্টররা নিজেরাই অহংকারে ভরা। যারা ভিন্নমত পোষণ করেন, নারীর স্বাধীনতা, মানবাধিকারের কথা বলেন, তাদের এক মুহূর্তেই কাফের, মুরতাদ, ইসলাম বিদ্বেষী বলে

পুরুষের অধিকার, সুবিধা, স্বাধীনতা, বিচার সমস্ত মানবাধিকার ইসলামে শুধু পুরুষের সম্মুখে উন্মুক্ত। নারীর জীবন, স্বাধীন চিন্তা, যৌনতা, শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, সম্পত্তি সব কিছু নিয়ন্ত্রণে, সীমাবদ্ধতায়, অর্ধেক-অধিকারে,

ইসলাম নামে ভেকধারীরা রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত সমাজকে বিভক্ত করেছেন। তারা “আমরা মুসলমান, আমরাই শ্রেষ্ঠ” বলে চিৎকার করেন, কিন্তু নারীর স্বাধীনতা, সংখ্যালঘুর অধিকার, সমকামীদের মানবাধিকার,

এরা নিজেরা দিনরাত ধর্মের বাণী আওড়ায়; নামাজ-রোজা নিয়ে গলা ফাটায়, অথচ বাস্তব জীবনে মিথ্যাচার, জালিয়াতি, নারী নিপীড়ন, দুর্নীতি, অন্যের অধিকার কেড়ে নেয়। মানুষকে বিভাজন করার,

দেখা যায়, যেসব শিশু মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে না, অথবা মা মারা গেলে, বা মা দুধ খাওয়াতে অক্ষম হলে এই ব্যাংক হতে পারে