এই বিচারহীনতা কোনো রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নয়, এটা পুরোটাই ধর্মীয় উন্মাদনা আর রাষ্ট্রীয় অবহেলার ফল। হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়, নতুন শিকার দেখে উল্লসিত হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেবল অজুহাত দেয়। আদালত, প্রশাসন, ধর্মীয় নেতারাও মুখ খুলে না।
বাংলাদেশের ইসলামপন্থি গোষ্ঠী, কট্টর আলেম আর ফতোয়াবাজরা এসব হত্যাকে ধর্মের বিজয় বলে গৌরব করে। তারা মনে করে, ভিন্নমত, সমকামী, নারী-স্বাধীনতাবাদী, বিজ্ঞানমনস্ক সবাই “ধর্মের শত্রু”—তাদের মেরে ফেলাই ইমানদারি। ফলে বিচারহীনতার নিশ্ছিদ্র চাদর জুড়ে থাকে খুনিদের চারপাশে।
আরও যে ভয়ানক, সমাজের অনেক অংশ এতে মৌন সমর্থন কিংবা প্রকাশ্য উৎসাহ দেয়। নীলের রক্ত শুকিয়ে মিশে গেলেও, নতুন নীলেরা গুম হয়ে যায়, খুন হয়, নির্যাতিত হয়—কারণ তাদের জন্য বিচার নেই।
এমন বিচারহীনতাই জন্ম দেয় আরও হত্যার, আরও উগ্রতার, আরও অন্ধকারের। রাষ্ট্র, আদালত, সমাজ—সবার চোখে যখন গোঁড়ামির বালু ঢেলে দেয়া হয়, তখন ভালোবাসা, মুক্তচিন্তা, বৈচিত্র্য—সবই ঝড়ে পড়ে ধর্মীয় সন্ত্রাসের পায়ে।
এখনই সময়, নীল, জুলহাস, অভিজিৎ, তনয়—সব মৃত্যুর সুবিচারের দাবিতে সোচ্চার হওয়ার। ধর্মীয় গোঁড়া হত্যাকারীদের মুখোশ খুলে, রাষ্ট্র ও সমাজের নানান অজুহাত আর নীরবতার দেয়ালে প্রশ্ন তুলতেই হবে। বিচারহীনতা ধর্মান্ধতার প্রধান হাতিয়ার। এই চক্র ভাঙার জন্যই দরকার সাহসী কণ্ঠ, মানবিক প্রতিবাদ, এবং সামাজিক জবাবদিহিতার শুরু।
12 Responses
সমকামীদের প্রতি আমার একরাশ ঘৃণা।
আপনার লেখাটা অনেক ভালো হয়েছে।
আপু আপনার লেখায় আমি জেন একটা আলাদা প্রাণ খুঁজে পাই!
ইসলাম ধর্মে সমকামীদের জন্য কোন স্থান নাই।
বালের পেঁচাল লিখছসো
খুব বাজে বিষয়ে লিখলেন!
তো সমকামীদের কি চুমা দিবে?
আয় তোকে একটু করে চুদে দেই খানকি মাগি।
তোকে রোজ নিয়ম করে সকাল বিকাল ১০-১২টা ঠাপ দিলে বুঝবি ঠেলা।
সমকামীদের জন্য বাংলাদেশে কোন জায়গা নাই।
আপনার কাজ গুলো খুব সুন্দর।
চমৎকার পর্যবেক্ষন। ভালো লাগলো লেখাটি।