প্রত্যেক শিশুই জন্মসূত্রে ধর্মহীন

সে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ কিংবা অন্য কিছু হয় কেবল পরিবার, সমাজ, শিক্ষা, সংস্কার এবং নিরন্তর অনুশাসনে, বাধ্যতামূলকভাবে। ছোটবেলা থেকে ধর্মীয় গল্প, কোরান-বাইবেল-গীতা পাঠ, নাম, উৎসব, রীতি, মূল্যবোধ সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়। অথচ প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় পক্ষপাত নয়, শিশুর মানসিক বিকাশের স্বতঃস্ফূর্ততা দরকার নিজের বিবেক, যুক্তি, প্রশ্ন করার সাহস, স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার অধিকার।

নাস্তিকতা কোনো জন্মগত অবস্থা নয়; এটা বড় হয়ে, পৃথিবী বুঝে, ইতিহাস, বিজ্ঞান, সমাজ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা, যুক্তি-বিশ্লেষণের ফসল। একজন নাস্তিক নিজেকে ঈশ্বর মতে বিশ্বাসী না বলে পরিচয় দেয় কারণ সে চায় যুক্তি দিয়ে, যথার্থ কারণ ও তথ্য দিয়ে, নিজের প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে। কেউ নাস্তিক হয়ে জন্মায় না; বরং পরিবার-সমাজ-শিক্ষা তাকে নির্দিষ্ট বিশ্বাসে টেনে নিয়ে যায়, আর সত্যিকারের চিন্তা ও আত্মশৃঙ্খলা তৈরি হলে সে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে শেখে।

এই দৃষ্টিভঙ্গি শুধু ধর্ম-নাস্তিক বিতর্ক নয় এটা আত্মসম্মান, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রশ্ন। প্রত্যেকের আত্মসম্মান, বিশ্বাস, অবিশ্বাস সবার প্রতি পূর্ণ সমান হোক সম্মান। কেউ নিজের যুক্তি, বুদ্ধি, চিন্তা,প্রকৃত অভিজ্ঞতা থেকে যেভাবে বিশ্বাস বেছে নেয়, তা নিয়ে কটাক্ষ, সহিংসতা, হুমকি এসব মানবতা-বিরোধী এবং সামাজিক পরিপন্থী।

বিবেক, যুক্তি আর প্রশ্ন থাকলেই সমাজ ও সভ্যতা এগিয়ে যায়। বিশ্বাস শুধু পরিবার-সমাজ-আইন দিয়ে নয়ব্যক্তির নিজের নির্বাচন, অনুসন্ধান, যুক্তির ফল এটাই স্বাভাবিক। একজন নাস্তিকের বিশ্বাস যেমন ব্যক্তিগত, তেমনি ঈশ্বরবিশ্বাসীরও ব্যক্তিগত। তাই যুক্তির উত্তর যুক্তি, তলোয়ারের উত্তর তলোয়ার নয় এটাই সভ্যতার শিক্ষা।

আমি নিজে নাস্তিক হয়েছি, কারণ চোখে না দেখলে, হাতে না ধরলে, বা বিজ্ঞান দ্বারা যাচাই না করলে কোনো কিছু মানতে আমার আপত্তি। মা-বাবা আসলেই আমার কিনা, সেটা নিশ্চিত করা যায় মুখের কথা, অবিশ্বাস নয় বিজ্ঞানের দৌলতে, তথ্য-প্রমাণে, ডিএনএ পরীক্ষায়। তেমনি ঈশ্বর থাকেন কিনা, তা যাচাই না হলে বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।

বিশ্বাস নয়, যুক্তি, প্রশ্ন, মানসিক মুক্তিই হোক জীবন-বোধের মূল কথা। প্রকৃত স্বাধীনতা মানে নিজে ভাবা, প্রশ্ন করা, সত্যের পথে নিজের মতো করে এগিয়ে চলা এটাই মানবজীবনের, সভ্যতার, সমাজের আসল উদ্দেশ্য।

41 Responses

  1. আপনি বিষয়টি নিয়ে সাহস দেখিয়েছেন, তবে আরও সূত্র দরকার।

  2. আপনার লেখার ধরন আরও ব্যাখ্যায়িত হতে পারত।

  3. ধর্ম নিয়ে বিতর্ক তুললেও, শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য পারিবারিক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ।

  4. সব প্রশ্নে তথ্যের ঘাটতি চোখে পড়েছে।

  5. পোস্ট বোঝার পরে দ্বিধা তৈরি হয়েছে।

  6. জন্মসূত্রে ধর্মহীন, তাতে কি সামাজিক পরিচয়ে প্রভাব পড়ে না?

  7. সবার উপলব্ধি এক নয়, তাই এমন মানসিকতা বিতর্ক তৈরি করবে।

  8. প্রাচীন সমাজ ও আধুনিক সমীক্ষা দুটোই দেখা উচিত।

  9. শিশুদের ধর্ম নিয়ে এমন দাবি আদৌ বাস্তবসম্মত নয়।

  10. বিশ্লেষণটা আরও গভীর হলে ভালো লাগতো।

  11. শিশুদের মনোজগত সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশে গঠিত হয়।

  12. নতুন বিষয়, কিছু অংশে যুক্তির ঘাটতি আছে।

  13. জন্ম সূত্রে ধর্মহীনত্বের দাবি বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত।

  14. ভিন্ন কথা বলেছেন, সাহসিকতার প্রশংসা।

  15. বাংলাদেশে দেখা গেলে জবাই ছাড়া কিছু হবে না।

  16. এভাবে বিষয়বস্তু পরিবেশন অনেকে অপছন্দ করবে।

  17. দেশে ফিরলেই তোকে জাহান্নামে পাঠাবো।

  18. সমালোচনার ভাষা দ্রুত গ্রহণযোগ্য হবে না।

  19. ভিন্নমত তো থাকবেই, কিন্তু যুক্তিনির্ভর আলোচনা চাই।

  20. সব অঞ্চলের জন্য এ কথা প্রযোজ্য নয়।

  21. দেশে এসে Islam নিয়ে কথা বললে, রাস্তায় পিটিয়ে মারবো।

  22. সমালোচনা থাকবেই, তার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।

  23. তোর পোদে আমার বাড়া দিবো শালি খানকি মাগি

  24. আপনার যুক্তি একপেশে মনে হয়েছে।

  25. পুরো বিষয়টা আরও স্পষ্ট করা দরকার ছিল।

  26. বেশ্যা মাগি ধর্ম নিয়ে কথা বলিস কেন

  27. বিষয়বস্তু নতুন, কিন্তু আরও যুক্তি দরকার ছিল।

  28. আপনার মত স্পষ্ট, তবে একটু বাস্তবতার ছোঁয়া লাগতো।

  29. পরিবারের ভূমিকা এখানে লক্ষণীয় ছিল।

  30. সব কথা সহজভাবে নেওয়া যায় না।

  31. পোস্টে কিছু দিক গুরুত্বপূর্ণ, কিছুটা একতরফা।

  32. প্রতিটি শিশুর পরিচয় গঠনে সমাজ ও নীতি মূখ্য।

  33. নতুন কিছু জানলাম, তবে প্রয়োগ নিয়ে সন্দেহ আছে।

  34. নিজস্ব মত প্রকাশ ভালো, তবে আরও গবেষণা লাগবে।

  35. শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সমাজ ও পরিবার উভয়ই জরুরি।

  36. নাস্তিক মেয়েরা সমাজের ক্যান্সার।

  37. পোস্ট পড়ে মনে হলো কিছু অংশ অতিরঞ্জিত।

  38. সব প্রশ্ন এক অর্থে দেখা যায় না।

  39. নতুন চিন্তা প্রশংসনীয়, তবে আরও তথ্য দরকার।

  40. তুই জলদি দেশে আয়, কড়া চোদন দেওন দরকার তোকে

Leave a Reply to কাওসার আলি মাহমুদ Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *