রাষ্ট্রীয় গুন্ডামি মানে শুধুমাত্র নৃশংস দমন নয়, বরং এটা এক কাঠামোগত, প্রাতিষ্ঠানিক বিভীষিকা আইন, বিচার, প্রশাসন, পুলিশের চূড়ান্ত ব্যবহার করে সারাদেশকে ভয়, চুপ, আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। বিরোধী দলের সমাবেশ মানেই গুম-খুন-দমন; নির্যাতনের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। ছাত্র-শিক্ষক, নাগরিক সমাজ, লেখক, কবি সবাই এক দংশনযোগ্য আত্মপ্রতারণার জালে আবদ্ধ।
ধর্ম, আইন, বিচার, সংবিধান সব কিছুই সময়ের চাহিদা ও রাজনৈতিক দলের সুবিধা অনুযায়ী মুড়ে-ছেঁড়ে ব্যবহার হয়। সত্যের মুখে চোখ তুলে কথা বললেই রাষ্ট্রের গুন্ডা বাহিনী, ভুয়া মামলা, গ্রেফতার, হুমকিএকেকটা প্রতিদিনের ঘটনা। গণমাধ্যম শাসিত, সাংবাদিক সেন্সরের শিকার সত্যের চিত্র ঢেকে রাখা।
“গণতন্ত্রের বাংলাদেশ” আজ কোথাও! এখানে মানুষের নিরাপত্তা মানে সরকারের প্রতি নিশ্চুপ আনুগত্য, আর নির্বাচনের অর্থ যারা ক্ষমতায় আছে তারা জিতবে এমন ‘নাটক’। অসন্তোষ, হতাশা, প্রতিবাদ দমন মানে রাষ্ট্রের নামেই জনগণকে শত্রু বানিয়ে ফেলা।
এর বিরুদ্ধে যারা মুখ খোলে, সত্য লেখে, সংগ্রামে নামে তাদের জন্য থাকে গুম, নির্যাতন, আতংকের রাজ্য। মানুষের ভয়, মৌনতা, দাসত্বই রাষ্ট্রীয় ঝান্ডায় পরিণত হয়েছে।
গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট নয়, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন, মানবিক অধিকার। এই প্রত্যেকটি স্তরে বাংলাদেশে সংকট ঘনীভূত। সত্যিকারের গণতন্ত্র চাইলে চাটুকারি, গুন্ডামি আর ফ্যাসিবাদের অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক চক্র ভাঙতেই হবে।
প্রতিটি নাগরিকের ছাত্র, তরুণ কিংবা শ্রমিক, নারী, শিক্ষক, সাংবাদিক সবাইকে রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ আর গুন্ডামির বিরুদ্ধে গল্প, গান, আন্দোলন আর পরিবর্তনের সাহসী স্বপ্ন দেখাতে হবে। ‘গণতান্ত্রিক’ বাংলাদেশের মুখোশ খুলে তার সত্যিকারের স্বাধীনতা বুঝে নিতে হবে নতুন প্রজন্মের কাঁধে।]
33 Responses
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দরকার।
গণতন্ত্রের আড়ালে অধিকার খর্ব হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় নির্যাতন নতুন কিছু নয়, তবে প্রতিরোধ জরুরি।
জনগণের অধিকার রক্ষা করতে সোচ্চার হতে হবে।
অধিকার প্রতিষ্ঠা শুধু কথায় নয়, বাস্তবে দরকার।
লেখকের স্পষ্ট মত প্রকাশ সাহসের।
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা আছে।
লেখায় সাহসিকতা প্রশংসনীয়।
ফ্যাসিবাদ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
কিছু পদক্ষেপের সমালোচনায় যুক্তি দেখেছি।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব।
রাজনীতির দুর্বলতা সমাজে ছাপ ফেলছে।
রাষ্ট্রের ব্যর্থতায় সাধারণ মানুষের ক্ষতি হচ্ছে।
দুঃশাসন নিয়ে আরও তথ্য দরকার।
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী না হলে বিপদ বাড়বে।
সমাজ ও রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা চাই।
ভবিষ্যতে পরিবর্তন আনতে চিন্তা করা দরকার।
নতুন ধারণা দিয়েছেন, চিন্তা ফেরাতে সহায়ক।
ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আরো স্বচ্ছ গণতন্ত্র আশা করি।
জনমনে গণতান্ত্রিক চিন্তা বাড়াতে হবে।
রাষ্ট্রীয় নির্যাতন নিয়ে আরও স্পষ্ট লেখা দরকার।
সবাইকে মানবাধিকার রক্ষার জন্য সচেতন করা দরকার।
নিয়মের সঠিক বাস্তবায়ন দরকার।
দুঃশাসন সমাজে বিভ্রান্তি বাড়াচ্ছে।
দলীয় মতের বাইরে ভাবতে শেখাতে হবে।
এভাবে চলতে থাকলে গণতন্ত্রের অর্থ হারিয়ে যাবে।
ফ্যাসিবাদ ও দুঃশাসন বাংলাদেশে আতঙ্কের নাম।
গণতন্ত্রের অপব্যবহার সমাজে চরম বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
দুঃশাসন রোধে সামাজিক অংশগ্রহণ জরুরি।
গণতন্ত্রের দুর্বলতায় আমাদের সবাইকে সতর্ক করা উচিত।
সত্য উন্মোচনে সাহস লাগেলেখক দেখিয়েছেন।
এই ধরনের বিষয় আলোচনায় আনা জরুরি।
তোর এত বড় সাহস কিভাবে হয় আমাদের নেত্রীকে নিয়ে বাজে কথা বলতে?