ধর্ষণের কারণ খুঁজতে গেলে পায়ের নিচে কাঁটা ছড়ানো আমাদের সমাজ, যেখানে ধর্ম, শিক্ষা, পরিবার, আইন সবখানেই নারীর প্রতি অবজ্ঞা ও বাজে মানসিকতার স্পষ্ট ছায়া। বাড়ি, স্কুল, রাস্তা, মাদ্রাসা, কলেজ,কর্মক্ষেত্র কোথাও নারী নিরাপদ নয়। সে ধর্মের নামে নির্যাতিত, নীতিবাক্যের নামে চুপ করানো হয়, পরিবারের মান-সম্মানের নামে নিজেকে আড়াল করে। ধর্ষণের শিকার পরিবারকে ‘লজ্জা’র ভার কাঁধে নিয়ে ঘামতে হয়, অথচ ধর্ষক আর সমাজের অপরাধী মোটেই লজ্জিত নয়।
সবচেয়ে ভয়ের বিষয় বিচারহীনতা ও সামাজিক সমর্থনে ধর্ষণ এখন অপরাধ নয়, ক্ষমতা প্রদর্শনের ‘অনলাইন ট্রেন্ড’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেয়েরা চুপ থাকুক, সামাজিকভাবে নিটক মেনে নিক, ফেসবুক পোস্টে দু-চারদিন আওয়াজ উঠুক এভাবেই অন্যায়ের চোরাবালিতে হারিয়ে যায় সব প্রতিবাদ। আইন, আদালত, প্রশাসন সব জায়গায় নারীর ন্যায় পেতে দীর্ঘ লড়াই, দোষ প্রমাণের মহাযুদ্ধ, অপমান ও হুমকি তাই অধিকাংশ অপরাধ শাস্তি পায় না।
শুধু আইন না, যেন বিচার, প্রতিরোধ, প্রতিবাদ সবকিছুতেই বিশাল ফাঁক রয়ে গেছে। পরিবারে, গণমাধ্যমে,পল্লীতে সবাই “ধর্ষণ মানে মেয়েটার পোশাক, ভাগ্য, রাস্তা, রাতের সময়” এই ভিক্টিমব্লেমিং বাড়িয়ে তোলে;আসল অপরাধীর সরাসরি মুখোমুখি দাঁড়ায় না কেউ।
কিন্তু এখনো বাংলাদেশের মানুষ হার মানেনি। এদেশের নারীরা, তরুণরা, সংশ্লিষ্ট সংগঠন, গণমাধ্যমের একাংশ রাস্তায়-রাস্তায় দাঁড়িয়ে চিৎকার করছে, সাহসিক প্রতিবাদের ঢেউ তুলছে। সামাজিক লজ্জা, ভয়ের সংস্কৃতি, প্রশাসনিক গাফিলতি, ধর্মীয় ফতোয়া সবকিছু ভেঙে এদেশকে নারী, শিশু, সংবেদনশীল সমাজের জন্য নিরাপদ করার সংগ্রাম চলছে।
সময় এসেছে পুরো সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবার সবাইকে মুখোমুখি দাঁড়াতে। যৌন সহিংসতা, ধর্ষণ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে সামাজিক দুর্জয় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বিচারহীনতার অভিশাপ ভেঙে, ধর্ষকের দেশ নয়ন্যায়বিচার, সম্মান ও মানবতার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
37 Responses
লেখাটি বাস্তবতা তুলে ধরেছে তবে ভাষা কিছুটা তীব্র মনে হয়েছে
বিষয়টি সমাজের জন্য বড় সতর্কবার্তা
এমন ঘটনা রোধে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে
শালি রেন্ডী মাগি
ন্যায়বিচার না হলে অপরাধ বাড়বেই
বিচার না হওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা
তোর ভোঁদা চুদাই হবে
সব পুরুষকে একইভাবে দেখা ঠিক না
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি
আইন থাকলেও তার প্রয়োগ দেখা যায় না
দেশে দেখা মাত্র acid ছিটিয়ে দেবো।
বিষয়টি সংবেদনশীল তাই আলোচনায় সংযম দরকার
মানুষের বিবেক যেন হারিয়ে যাচ্ছে
লেখায় বাস্তবতার প্রতিফলন আছে
বিদেশে আছিস বলে বাঁচছিস, দেশে এলেই আল্লাহর বিচার হবে।
শিরোনামটা কিছুটা অতিরঞ্জিত মনে হয়েছে
নারীর প্রতি সহিংসতা সমাজের জন্য লজ্জাজনক
শিক্ষা আর সচেতনতার অভাবই বড় কারণ
আইন প্রয়োগে কঠোরতা আনতে হবে
ধর্ম নিয়ে বাজে কথা লেখার সাহস কোথা থেকে পেলি?
শুধু লেখালেখি নয় মাঠ পর্যায়ে পরিবর্তন দরকার
সমাজের পুরুষদের মানসিকতা বদলাতে হবে
মাগিরা নাস্তিক হলে আর কিছু লাগেনা সমাজে, সারাদিনরাত শুধু চুদাচুদি আর বেলাল্লাপনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
নারী পুরুষ উভয়ের সচেতনতা দরকার
এই বাস্তবতা লজ্জাজনক কিন্তু পরিবর্তন সম্ভব
চুদি নাস্তিক, ধর্ম মানিস না তাই তো মেয়েটা এমন বাজে।
এই ধরনের লেখায় আশা নয় হতাশা বেড়ে যায়
নারীর প্রতি সম্মান শেখানো দরকার পরিবার থেকেই
অপরাধীকে শাস্তি না দিলে সমাজ বিপর্যস্ত হবে
সব পুরুষ অপরাধী নয় এই সাধারণীকরণ ভুল
বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে
ভয়ঙ্কর বাস্তবতা তবে আশা হারানো যাবে না
নারীর নিরাপত্তা মানেই দেশের মর্যাদা
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তবে কিছু জায়গায় বাড়াবাড়ি মনে হয়েছে
চোতমাড়ানি মাগি, তুই একটা বেশ্যা
সমাধান আসবে যখন সবাই দায়িত্ব নেবে
আইন প্রয়োগ ও মানবিক শিক্ষা দুটোই জরুরি