প্রতি পদে নারীর জন্য “আতঙ্ক” ধর্মীয় নিয়ন্ত্রণেই সবচেয়ে বেশি। বিয়ে, তালাক, উত্তরাধিকার, নাম, ভোটাধিকার, শিক্ষা, চাকরি, পোশাক, হাসি, মঞ্চ, নেতৃত্ব—সবকিছুতে নারীকে শুধু আশঙ্কা, সীমাবদ্ধতা, সংশয় আর অলিখিত হুমকির সামনে রেখেছে ইসলামিক আইন।
নারীর জীবনে ইসলামিক আতঙ্ক—নিজের শরীর, ইচ্ছা, চিন্তা, প্রেম, স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতে গেলে চারপাশের ধর্মীয় সমাজ, পরিবার, পুরুষতান্ত্রিক আইন, সামাজিক কানাঘুষা—সব একযোগে হুমকি দেয়। ধর্মীয় সভা, ওয়াজ, পরিবার, বিয়ে—সব জায়গাতেই নারীকে “শালীনতা”, “লজ্জা”, “পর্দা”, “তওবা”, “ঘরসংস্কার” দিয়ে উদ্বেগ আর ভয় আরোপ করা হয়।
শিশু থেকে বৃদ্ধা—সব নারীর চিন্তা, জীবন, স্বাধীনতা ধর্মের আকাশে নিবন্ধিত আতঙ্ক।
ইসলামের এই সিস্টেমেই যারা নারীর আত্মমর্যাদাকে ‘ফেতনা’, ‘গুনাহ’, ‘অশুদ্ধ’, ‘অপবিত্র’ বলার স্বাধীনতা রাখে—তাদের কাছে নারীর প্রকৃত মুক্তির কোনো স্বপ্ন নেই। পড়াশোনা, আত্মবিশ্বাস, কর্মজীবন, নেতৃত্ব—সব কিছুতেই নারীকে প্রতিদিন ধর্মীয় ফতোয়া, সমাজের কুৎসা, পরিবারের নীরব হুমকি সহ্য করতে হয়।
এ দেশ, সমাজ, ভবিষ্যৎ—নারীর নিরাপত্তা, মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক মর্যাদা, নেতৃত্বের স্বপ্ন—সবকিছুতেই ইসলামিক আতঙ্ক এক অবিচ্ছেদ্য চিহ্ন। ধর্মের নামে যারা সব সিদ্ধান্তে নারীর গলা টিপে ধরে, তারা চরম অন্যায়ের, মানবতা-বিরোধী সংস্কৃতির প্রহরী।
সমাজের সবাইকে প্রশ্ন করতে হবে—কেন নারীকে বেঁচে থাকার, ভালোবাসার, সম্মানের, মত প্রকাশের জন্য ইসলামিক আতঙ্কে ডুবিয়ে রাখবে? নারীর মুক্তির জন্য দরকার—চুপ করে সহ্য নয়, সাহসী প্রতিবাদ, ন্যায়, সমান অধিকার নিয়ে সাহসের সাথে এগিয়ে যাওয়া।
ইসলামে নারীর জন্য কোনো মুক্তি নেই, নেই প্রকৃত স্বাধীনতা। তাই সময় এসেছে, ধর্মীয় আতঙ্কের বিরুদ্ধে নারীর নিজের পরিচয়, সাহস, নেতৃত্ব আর মুক্তির গল্প লেখার।
35 Responses
বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তবে লেখার ভাষা আরও সংযত হতে পারত
তরে বেশ্যা পাড়ায় বেচা উচিৎ। তুই বেশ্যা হয়েই বাঁচ
সব দায় শুধু সমাজের নয় ব্যক্তিগত দায়িত্বও আছে
নারীর নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অভিযোগের ধরনটা একটু একপেশে লেগেছে
এই লেখায় প্রশ্ন আছে উত্তরও দরকার
তোড় দুদু দেখা খাঙ্কি। তোড় দুদুতে কামড় দিবো আমি।
নারীর সম্মান নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব
সমস্যা তুলে ধরেছেন ভালো কিন্তু সমাধান দেখা যায়নি
এই আলোচনায় তথ্য ও বাস্তবতা দুইই দরকার
বাংলাদেশে দেখা গেলে জবাই ছাড়া কিছু হবে না।
ভালো বলেছেন কিন্তু কিছু বক্তব্য অতিরঞ্জিত মনে হয়েছে
এই প্রশ্ন সমাজের গভীর অসাম্যকে দেখায়
দেশে ফিরলেই তোকে জাহান্নামে পাঠাবো।
লেখায় মানবিক দিকটা স্পষ্ট তবু কিছু ভাষা নরম হলে ভালো লাগত
লেখাটি বাস্তবতার প্রতিফলন তবে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
দেশে চলে আয় তাড়াতাড়ি, তারপর সবাই মিলে তোরে চুদবো।
সমাজের পরিবর্তন সময়সাপেক্ষ কিন্তু শুরু দরকার
এই বিষয়ে আলোচনা যত বাড়বে তত সচেতনতা তৈরি হবে
বাংলাদেশে দেখলে তোরএ চুদে বাচ্চা পয়দা করাবো খানকি নাস্তিক মাগি।
সমতা মানে পরস্পরের প্রতি দায়িত্বও থাকা দরকার
লেখায় তথ্য থাকলে যুক্তিগুলো আরও শক্ত হতো
বিষয়টা সংবেদনশীল তাই মন্তব্যে সংযম দরকার
তোর ভোদায় অনেক কুটকুটানি না রে? চুষে দিবো নাকি?
শান্ত ভাষায় কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছেন
এভাবে সরাসরি বলা অনেকের কাছে আঘাত লাগতে পারে
তোর দুধ গুলা তো অনেক সুন্দর আর বড় মনে হচ্ছে। আমাকে খেতে দিবি?
নারীর মুক্তি মানে সমাজের মুক্তি
লেখার উদ্দেশ্য ভালো তবে টোন একটু কঠোর
মানবিকতার জায়গা থেকেই এই আলোচনা দরকার
কিছু মন্তব্য একপেশে লাগলেও মূল বার্তা গুরুত্বপূর্ণ
নারীর প্রতি সম্মান দেখানো মানেই সভ্যতা
খাঙ্কি মাগি, আয় তরে চুদাই দেই।
সমাজের উন্নতিতে নারী পুরুষ একসাথে চলাই সমাধান
সব মত না মিললেও আলোচনার গুরুত্ব আছে
পরিবর্তনের পথে মতের ভিন্নতা স্বাভাবিক