ভণ্ডপীররা নিজেদের অলৌকিক শক্তির, দোয়া-তাবিজের, সমস্যা নিরসনের আভাস দিয়ে নারীদের ওপর চরম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালায়। অনেকে আশ্বাস দেন অসুস্থতা, বন্ধ্যাত্ব, স্বামীর ভালোবাসা, সন্তান, সংসার সব সমস্যার নিরাময় তাদের হাতে। বিশ্বাসের ফাঁসে পড়ে নারীরা নিজের সর্বস্ব দিয়ে দেয়, অনেক সময় লাঞ্ছনার শিকার হয়, কেউ কেউ যৌন নিপীড়নেরও শিকার।
ধর্মীয় ছত্রছায়ায় এইসব ভণ্ড বড় বড় দরবার, মাজার, খানকা, আস্তানা খুলে সামাজিকভাবে দাপট দেখায়। তার কাছে গেলে, তাঁর কথায় বিশ্বাস করলে সব পাপ, ব্যর্থতা, বিশৃঙ্খলা দূর হবে এই প্রচারণায় পরিচ্ছন্ন, সহজ-সরল নারী সমাজ বারবার ধর্ষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন আর প্রতারণার বলি হয়ে যায়।
এদের দাপটে গ্রামের সহজ-সরল মা, বধূ, যুবতী এমনকি শিক্ষিত নারীও আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ভয় নিয়ে বাঁচতে শেখে। ধর্মীয় আশীর্বাদ, গায়েবি শক্তির মিথ্যাচার, কালো যাদু, তাবিজ-কবচ এসবের ছলচাতুরিতে পীর-পান্থী সমাজ যেন ‘অভয়’ আর ‘ভরসা’র নকল বাজার।
সবচেয়ে দুঃখজনক প্রশাসন, স্থানীয় রাজনৈতিক চক্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান অনেক সময় এই ভণ্ডপীরদের প্রতারণার বিপরীতে মুখ খোলে না, ভারী দালালি আর দুর্নীতির জালে তাদের দাপট টিকে থাকে। অভিযোগ তুললে নারীকে বিদ্রোহী, অধার্মিক, চরিত্রহীন বলে সামাজিক বিচার হয়; ধর্ষণ, লাঞ্ছনা, অপমান সব চাপা পড়ে যায় ধর্মীয় বক্তব্যের নিচে।
সময়ের দাবি ভণ্ডপীর, ফকির, বিজ্ঞ ধর্মব্যবসায়ীদের প্রতারণা রুখে দাঁড়াতে নারীদের সচেতন হওয়া, শিক্ষা,বিজ্ঞানমনস্কতা ও সাহস দরকার। পরিবার, প্রশাসন, সামজিক আন্দোলন সবাইকে এদের বিরুদ্ধে প্রকৃত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় ভয়, সহানুভূতি নয় মানবিক অধিকার, নিরাপত্তা এবং আত্মসম্মানের জন্যই নারীদের আজ রুখে দাঁড়ানোর সময়।
40 Responses
ভণ্ডপীরদের প্রভাব বাড়ছে এটা সমাজের লজ্জা
এই ধরনের প্রতারণা রোধে প্রশাসনের ভূমিকা দুর্বল
দেশে ঢোকার সাহস দেখিস না, জবাই করা হবে।
লেখাটি বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি তবে সমাধান দেখানো হয়নি
ভণ্ডপীরদের হাতে নিরীহ মানুষ প্রতিদিন প্রতারিত হচ্ছে
ধর্মের নামে প্রতারণা সবচেয়ে ভয়াবহ অপরাধ
তুই নাস্তিক খানকি মেয়ে, এসব লেখা মুখে বাড়া ঢুকিয়ে ঠ্যালা দে।
মানুষের অশিক্ষা আর ভয় এই প্রতারণাকে টিকিয়ে রেখেছে
এই বিষয়ে মিডিয়া নীরব থাকা দুঃখজনক
লেখায় সত্য কথা বলা হয়েছে ভয় ছাড়া
এই ভণ্ডদের কারণে ধর্মের নামই কলঙ্কিত হচ্ছে
এইসব চরিত্র মানুষকে ভুল পথে নিচ্ছে
ধর্মবিরোধী লেখার কোনো অধিকার নেই।
সমাজে ভণ্ডপীরদের প্রভাব কমাতে শিক্ষা দরকার
বেশ কিছু বক্তব্যে লেখক অতিরিক্ত আবেগ দেখিয়েছেন
এই প্রসঙ্গে যুক্তি আরও শক্তভাবে তুলে ধরা যেত
সব পীর ভণ্ড নয় এই সাধারণীকরণ ঠিক না
নাস্তিক মাগিরা দেশটা নষ্ট করে দিচ্ছে।
ধর্মের প্রতি মানুষের আস্থা টিকিয়ে রাখতে এমন ভণ্ডদের দমন করা দরকার
অন্ধ বিশ্বাস থেকে মুক্তি না পেলে উন্নতি সম্ভব নয়
বিষয়টা বাস্তব তবে উপস্থাপনায় কিছুটা তীব্রতা ছিল
মানুষকে সচেতন করা ছাড়া এই প্রতারণা থামবে না
ভণ্ডদের প্রভাব কমাতে সামাজিক ঐক্য দরকার
এমন প্রতারণার বিরুদ্ধে সবাইকে একসাথে দাঁড়াতে হবে
লেখায় মানবিক দিকটি ভালোভাবে এসেছে
যা বলেছেন তা সমাজে আলোচনার জন্ম দেবে
ধর্মকে বিকৃত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
লেখক যুক্তি দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন
এই ধরনের লেখা মানুষকে ভাবতে শেখায়
আমার বাড়াটা একটু চুষে দে তো মাগি।
অনেকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে সেটাই সবচেয়ে ভয়ানক
লেখায় কিছু কথা সত্য হলেও সব জায়গায় প্রযোজ্য নয়
অবশেষে কেউ এই বিষয় নিয়ে খোলাখুলি লিখেছে এটা সাহসী পদক্ষেপ
মানুষের অজ্ঞতা আর ভয় এই ভণ্ডদের শক্তি
এই লেখাটি বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন মনে হয়েছে
ধর্মীয় শিক্ষা ঠিকভাবে না থাকলে প্রতারণা বাড়বেই
কেন এমন ধৃষ্টতা দেখাস ধর্ম নিয়ে?
ভালো বলেছেন এখন প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপ
লেখাটি বিতর্কিত হলেও আলোচনার দরজা খুলে দিয়েছে
সব মত না মেললেও বার্তাটা প্রাসঙ্গিক