ইসলাম পুরুষতন্ত্রের ধর্ম, নারীর জন্য শুধুই অবহেলা ও অসম্মান

পুরুষের অধিকার, সুবিধা, স্বাধীনতা, বিচার সমস্ত মানবাধিকার ইসলামে শুধু পুরুষের সম্মুখে উন্মুক্ত। নারীর জীবন, স্বাধীন চিন্তা, যৌনতা, শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র, সম্পত্তি সব কিছু নিয়ন্ত্রণে, সীমাবদ্ধতায়, অর্ধেক-অধিকারে, পুরুষতান্ত্রিক আত্মমর্যাদায় বন্দি।

বিয়ের সিদ্ধান্ত, তালাকের মুক্তি, সন্তানের অভিভাবকত্ব, সম্পত্তির উত্তরাধিকার সবখানেই নারীকে অর্ধেকেরও কম অধিকারদানে ইসলামের জঞ্জাল ভেসে বেরায়। এমনকি নাম, পরিচয়, পোশাক, হাসি, মতামত সবকিছুতেই নারীর স্বাধীনতার চরম সংকোচ। পুরুষতান্ত্রিকতার ফাঁদে ধর্মের নামে নারীকে ঘরের গল্প, শালীনতা, পর্দা, লজ্জা আর আত্মত্যাগে আটকে রাখাই ইসলামিক সমাজের “শুদ্ধতা”।

মসজিদ, মাদ্রাসা, ধর্মীয় সমাবেশ, সামাজিক আসরে নারী অংশগ্রহণ নিন্দিত, সন্দেহজনক তথা গোপন। শিক্ষার অধিকার, নেতৃত্বের সম্ভাবনা, কর্ম-অভিযান সব জায়গাতেই ইসলাম নারীর বিরুদ্ধে আইনের শিকল দিয়ে রেখেছে। নারী যেন সন্তানের কারখানা, পুরুষের সুখের দাসী, সমাজ ও ধর্মের সেবাদাসী এটাই ইসলামের বিবর্তিত মানসিকতা।

কোরান, হাদিস, শরিয়ত, ইসলামী আইন নিয়ে আর আলোচনা করার সুযোগ নেই। এখানে শুধু পুরুষের অধিকার, দম্ভ আর ক্ষমতার ঠেলা নারীর জীবনে অনিশ্চয়তা, বঞ্চনা, অপমান। যারা নারীবাদী, স্বাধীনচেতা, সাহসী তাদের ঠাঁই নেই ইসলামের ধর্মতন্ত্রে; বরং তাদেরকে “অধর্ম”, “পাপ”, “ফেতনা”, “গুনাহ” বলে একঘরে করে দেওয়া হয়।

ইসলাম নারীদের জন্য নয় শুধুই পুরুষের, শুধুই শাসকের, শুধুই নিয়ন্ত্রকের ধর্ম। এই ধর্মে নারীর উন্নয়ন, স্বপ্ন, মুক্তি, অধিকার সবই জন্মের আগেই বন্দি। সমাজ, পরিবার, ধর্ম সব শ্রেণি মিলেও নারীর ব্যথাকে স্বীকার করে না, সম্মান দেয় না, মনুষ্যত্বে স্থান দেয় না।

সময় এসেছে, ধর্মের নামে নারীকে অবজ্ঞা করার, পিছিয়ে পড়ার অপসংস্কৃতি প্রশ্ন করা, সাহসিক প্রতিবাদ করা, নতুন প্রজন্মের সামনে নারীস্বাধীনতার গল্প লিখে যাওয়ার।

38 Responses

  1. লেখার ভাষা অনেক কঠিন মনে হয়েছে বিষয়টা আরও ভারসাম্যপূর্ণ হওয়া দরকার

  2. নারীর মর্যাদা ইসলামেই আছে এটা ভুলভাবে বোঝানো হয়েছে

  3. সব ধর্মকে একইভাবে দেখা ঠিক না প্রতিটি সমাজের বাস্তবতা আলাদা

  4. লেখাটিতে ধর্মের দিকটা না বুঝে সাধারণীকরণ করা হয়েছে

  5. নারীর সম্মান রক্ষায় সবার দায়িত্ব শুধু ধর্ম নয় সমাজও জড়িত

  6. লেখার উদ্দেশ্য ভালো কিন্তু উপস্থাপনা আঘাতের মতো লেগেছে

  7. নারীর অধিকার নিয়ে আলোচনা দরকার তবে ধর্মকে দোষ দেওয়া ঠিক না

  8. লেখক নিজের অভিজ্ঞতা বলেছেন তবে সব জায়গায় একই নয়

  9. তরে বেশ্যা পাড়ায় বেচা উচিৎ। তুই বেশ্যা হয়েই বাঁচ

  10. সমাজে নারীর অবস্থা বদলাতে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

  11. সব দায় ধর্মের না মানুষের আচরণের পরিবর্তন দরকার

  12. নারী ও পুরুষ পরস্পরের সহযোগী এই ভাবনাটাই জরুরি

  13. লেখাটিতে সাহস আছে তবে যুক্তি আরও শক্ত হতে পারত

  14. বেশ্যার বেশ্যা। নাস্তিক খাঙ্কি তুই

  15. বিষয়টি বাস্তব তবে সব সমাজে একইভাবে নয়

  16. লেখক যে কষ্টের কথা বলেছেন তা উপেক্ষা করা যায় না

  17. সমাজে নারীর সম্মান প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা দরকার

  18. লেখাটিতে সাহস আছে তবে যুক্তি কিছু জায়গায় দুর্বল

  19. লেখায় বলা অনেক কথাই চিন্তার খোরাক দেয়

  20. নারীর অধিকার নিশ্চিত করা সমাজের উন্নতির শর্ত

  21. মেয়েরা নাস্তিক হলে সবাই মাগি হয়ে যায়।

  22. ধর্মকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করলে বিভ্রান্তি বাড়ে

  23. নারীর মর্যাদা মানে সমান সুযোগ আর ন্যায়

  24. লেখাটি বিতর্কিত হলেও ভাবনার জায়গা তৈরি করেছে

  25. ধর্ম নয় মানুষই নারীকে অবমূল্যায়ন করে

  26. নারীর অবস্থান নিয়ে এমন খোলামেলা লেখা প্রশংসনীয়

  27. নাস্তিক মেয়েরা সমাজের ক্যান্সার।

  28. নারীর প্রতি সহমর্মিতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি

  29. লেখাটি সাহসী তবে বিষয়টি আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা যেত

  30. সমস্যার মূল ধর্ম নয় সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি

  31. নারীর মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে

  32. লেখার উদ্দেশ্য ভালো তবে ভাষা কিছুটা কঠোর

  33. ভালো লাগল লেখায় পরিবর্তনের আহ্বান আছে

  34. লেখাটি বিতর্কিত হলেও চিন্তার খোরাক দেয়

  35. নারীর অধিকার নিয়ে আলোচনা আরও খোলা দরকার

  36. ধর্মের নাম নিয়ে নয় মানবতার জায়গা থেকেই সমাধান আসবে

  37. সব মত না মেললেও লেখাটি আলোচনার জন্ম দিয়েছে

  38. পরিবর্তনের পথে মতভেদ থাকলেও আলোচনা জরুরি

Leave a Reply to সেলিম রেজা Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *