আসল প্রশ্ন তোলা হয় না।
কেন ধর্ম, আইন, সমাজ মিলে একসাথে সমকামী, উভকামী, বৈচিত্র্যের মানুষকে একঘরে করে? কেন পরিবারের ভেতরে নিজের সন্তানের পরিচয় জানলে তাকে ত্যাগ, অপমান, বিচ্ছিন্ন করার হুমকি চলে?
কেন রাষ্ট্র ৩৭৭ ধারার হিংস্র আইন দিয়ে সংবিধানের মানবাধিকারের মুখে থুথু দেয়?
কেন ধর্মীয় নেতারা ফতোয়া জারি করে, আলেমরা “পাপী”, “কাফের”, “ঘৃণিত”—এসব গালি ছড়ায় অথচ নিজেদের গোপন দুর্নীতি, ব্রাত্য শোষণ আড়াল রাখে?
কেন বিজ্ঞান, মুক্তচিন্তা, মনোবিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্যের স্বীকৃতি না দিয়ে ধর্মের অন্ধত্বই সমাজের চালিকা শক্তি হয়?
কেন প্রেম, সম্পর্ক, ভালোবাসা—হলেই লজ্জা, পাপ, গ্লানি, কিন্তু ঘরে ঘরে যৌন নিপীড়ন, বল্যবিবাহ, নারী নির্যাতন—এসব কিছুতেই ধর্মের চোখে “অপরাধ” থাকে না?
কেন গণমাধ্যম, পরিবার, প্রশাসন—সবাই চুপ করে যায়, আত্মহত্যার গল্পে বিষণ্নতা দেখে কিন্তু সমস্যার শিকড় নিয়ে কথা বলে না?
সমকামিতা নিয়ে আরও সাহসী প্রশ্ন উঠুক।
কেন আমাদের সমাজ নিজেকে এত ভয় পায়?
কেন এত জং ধরা, ঘুণেধরা মানসিকতা—যেখানে মানুষ ভালবাসতে পারে না, নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে পারে না, সত্যস্বীকারের সাধ্য দেয় না?
কেন এই দেশ শুধু ধর্ম, লজ্জা, গ্লানি, আইনের আগুনে জ্বালিয়ে রাখে মানবিক সম্পর্কের সত্যকে?
এই প্রশ্নগুলো শুধু সমকামীদের নয়, পুরো দমবন্ধ সমাজের, ধর্মান্ধতার, ভণ্ডামি আর ভীত পিতৃতন্ত্রের।
উত্তরহীনতা, ছোট করা, দমন আর দুঃখের গল্পে আর কতদিন সমাজ কেবল ঘুণে ধরবে?
সময় এসেছে সাহসিকতা, মানবিকতা, মুক্তচিন্তা আর বৈচিত্র্যের পক্ষে প্রশ্ন তুলার—সমকামিতা, প্রেম, স্বাধীনতা, জেগে ওঠা মানুষের নবজাগরণের,— আর যেকোনো ঘুণেধরা সমাজ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে উত্তাল কণ্ঠ ছড়ানোর।
21 Responses
ঘুণে ধরা সমাজে সত্য বলার সাহসিকতা দরকার।
সমাজ বদলাতে ধৈর্য ও সংলাপ দরকার।
পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষার পরিবেশ বদলাতে হবে।
সমাজে বৈচিত্র্যকে স্বীকার করা জরুরি।
প্রশ্ন থাকতেই পারে, উত্তর সময় দেবে।
পাঠকদের সচেতন করা জরুরি।
ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য প্রসঙ্গটি খোলা রাখা দরকার।
সব প্রশ্নের উত্তর একবারে আসে না।
সমকামিতা নিয়ে সমাজে এখনও প্রশ্নের উত্তর নেই।
এই লেখায় প্রসঙ্গটি সাহসের সঙ্গে তুলেছেন।
বিভিন্ন মত ও চিন্তা সমাজের উন্নয়নের জন্য দরকার।
অস্বস্তিকর প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা জরুরি।
সামাজিক ভেদাভেদ দূর করতেই হবে।
প্রতিকূলতা থাকা স্বাভাবিক, সমাজ বদলের পথে জোর দরকার।
সমকামিতা নিয়ে মতবিনিময় গুরুত্বপূর্ণ।
সংবেদনশীল প্রসঙ্গে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
নিজস্ব অভিজ্ঞতা ভাগ করলে সচেতনতা বাড়ে।
সমকামিতার বিষয়ে সমাজে অস্বস্তি রয়েছে।
প্রতিটি মানুষের অধিকার আছে তার মত প্রকাশের।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলতেই থাকবে।
সহনশীলতা গড়ে তুললে সমাজে সুর হবে।