দণ্ডবিধি ৩৭৭ঃ সমাজের গ্লানী ও মানবিক অধিকারে ধর্মীয় হস্তক্ষেপ

কিন্তু আজও ধর্মীয় গোঁড়ামি, কট্টর দর্শনের হাত ধরে ধর্মীয় প্রচারক, আলেম, ইসলামপন্থিরা এই ৩৭৭ ধারার অস্ত্র ব্যবহার করে মানুষের যৌন পরিচয় খণ্ডিত করে, অপমান করে, সামাজিক বিচার-শাস্তির চেয়ে বেআইনি নিপীড়নের পথে জাতিকে ঠেলে দেয়। কোরান-হাদিসের বিভ্রান্তি, সমাজের ঘৃণা আর ভয়কে পুঁজি করে LGBT+ মানুষদের বিরুদ্ধে সরব হয় ধর্মীয় গোঁড়ারা।

প্রেম, যৌনতা, সম্পর্ক, ব্যক্তিত্ব—সবকিছুতে রাষ্ট্র, আইন, মসজিদ-মাদ্রাসা আর সমাজ মিলে নজরদারি চাপিয়ে রাখে। মানবিক সম্পর্কের ওপর দণ্ডবিধি ৩৭৭ চালু রাখা মানে কোনো সম্মতি, স্বাধীনতা, ভালোবাসার অধিকার নেই; কেবল ধর্মীয় হিংসা, পাপ-পুণ্যের ফতোয়া, বিচারহীন জুলুম আছে।

ভারতের মতো দেশেও এই আইন আদালতে বাতিল হলেও বাংলাদেশে ধর্মীয় ও রক্ষণশীল লবির চাপে এখনো এই মানবতাবিরোধী আইন টিকে আছে। অথচ প্রকৃতি, বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান সবার সোচ্চার স্বীকৃতি, সমকামী বা বৈচিত্র্যের মানুষদের যৌন পরিচয় একেবারেই স্বাভাবিক।

ধর্মান্ধদের দাপটে, ৩৭৭-এর কালো ছায়ায়, আজও মানুষ আতঙ্কে, গোপনে, পলায়নে, আত্মহত্যার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়।  রাষ্ট্র যখন মানবিকতার বদলে ধর্মীয় কৌশলে আইন পরিচালনা করে, তখন সামগ্রিক সমাজ পিছিয়ে যায়।

প্রশ্ন তুলতে হবে—সংবিধান ও ন্যায়ের নামে এতদিন ধরে রয়ে যাওয়া ৩৭৭ আর কতদিন অন্ধকার বাড়াবে? সমাজের প্রকৃত কল্যাণ, প্রেম ও বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি পুরনো ধর্মান্ধ শিকল ভেঙেই আসবে।

এখনই সময়, ৩৭৭-এর বিলুপ্তি আর মানবতার আইনে সব মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার। ধর্মের ভয় নয়, সামাজিক সচেতনতা আর মানবিক জেগে ওঠার নুতন সমাধান চাই।

40 Responses

  1. আমি আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না

  2. আপনার কাছ থেকে এমন লেখা আশা করিনি

  3. বিষয়টি সংবেদনশীল তাই এমনভাবে বলা ঠিক হয়নি

  4. বিষয়টি আলোচনা করা জরুরি কিন্তু উপস্থাপনা ঠিক হয়নি

  5. লেখাটি অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি করেছে

  6. আপনার বিশ্লেষণ বাস্তবতার সাথে মেলে না

  7. আপনার দৃষ্টিভঙ্গি একপেশে লেগেছে

  8. বিষয়টি উপস্থাপন করার ধরনটা ভালো লাগেনি

  9. লেখাটি অনেকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে

  10. লেখাটি বিতর্কের চেয়ে সমাধানমুখী হলে ভালো লাগত

  11. আপনার উপস্থাপনা চিন্তার খোরাক দিয়েছে

  12. বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও আলোচনার প্রয়োজন ছিল

  13. আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবমুখী লেগেছে

  14. ভালো বলেছেন বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা দরকার

  15. বিষয়টি উপস্থাপনের ধরণ ভালো লেগেছে

  16. আপনার লেখায় যুক্তি আছে এবং ভারসাম্যও

  17. লেখাটি চিন্তার জায়গা তৈরি করেছে

  18. পড়ার পর মনে হয়েছে এই বিষয়টি আরও গভীরভাবে দেখা দরকার

  19. লেখাটি প্রাসঙ্গিক এবং সময়োপযোগী

  20. বিষয়টি সংবেদনশীল হলেও উপস্থাপনা প্রশংসনীয়

  21. আপনার লেখা ভাবনার নতুন পথ খুলে দেয়

  22. পড়তে ভালো লেগেছে আপনার উপস্থাপনা শান্ত ও সংযত

  23. সব মত না মেললেও লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা তৈরি করেছে

  24. মতভেদ থাকা সত্ত্বেও লেখাটি সমাজে আলোচনার জন্ম দেবে

Leave a Reply to রিদওয়ান হোসেন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *