দাড়ি-টুপি আর ধর্মীয় সাজে অন্ধ হিপোক্রেসির পতাকা

এরা নিজেরা দিনরাত ধর্মের বাণী আওড়ায়; নামাজ-রোজা নিয়ে গলা ফাটায়, অথচ বাস্তব জীবনে মিথ্যাচার, জালিয়াতি, নারী নিপীড়ন, দুর্নীতি, অন্যের অধিকার কেড়ে নেয়। মানুষকে বিভাজন করার, প্রশংসিত সভ্যতাকে অশান্তির সাগরে ফেলাই যেন তাদের ধর্মীয় সাধনা।

এমন অনেক “ধর্মভীরু” সারাদিন টুপি-দাড়ি পরে ঘুরে বেড়ান, অথচ গোপনে নারীবিদ্বেষ, ঘৃণা, ক্রোধ, অবিশ্বাস, কুশ্রী মন্তব্য ছড়িয়ে বাড়িঘর, সমাজ, কর্মস্থল সব জায়গা বিষাক্ত করেন। নিজের সুবিধার জন্য ধর্মের নাম ব্যবহার করে টাকা কামান, সামাজিক সম্মান হাতিয়ে নেন, অথচ সহানুভূতির ছিটেফোঁটা নেই।

কোনও মেয়ে সাহস, স্বাধীনতা, সমান অধিকারের কথা বললেই তাকে ‘বেয়াদব’, ‘কাফের’, ‘পাপিষ্ঠ’ বলার প্রতিযোগিতা শুরু।  নারীর পোশাক, চলাফেরা, শিক্ষা, সম্মান—সব কিছুকে ধর্মের নামে নিয়ন্ত্রণ করাই এদের ধর্মীয় কর্তব্য। অথচ জগতে যত বড় অপমান, দুর্নীতি, শোষণ—সবের পেছনে বেশি হাত থাকলে, এদেরই থাকে।

সত্যি কথা বলতে কি, দাড়ি-টুপি, কোরআন হাতে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া আর ধর্ময় কাজের সাইনবোর্ড টানালেই কেউ মহান হয় না।  নিজের চরিত্রে সততা, হৃদয়ে মানবিকতা, আচরণে সম্মান না থাকলে ধর, কোন ধর্মেরই সঠিক অনুসারী তুমি নও।  এই কট্টরদের কারণেই আজ মানুষের ধর্ম নিয়ে বিশ্বাস কমে গেছে, মানবিকতা দুর্বল হয়েছে।

ধর্মের নামে যারা মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়, সমাজে বিভাজন আর অশান্তি ছড়ায়, এখানে তাদের জন্য কোনো সম্মান নেই। ধর্মীয় অন্ধতার মুখোশ যেন দ্রুত উন্মোচিত হয়, এইসব হিপোক্রেটদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ আর সামাজিক জবাবদিহিতা গড়ে তুলতে হবে।

মানুষ বড় হয় মনুষ্যত্বে, পোশাক বা বাহ্যিক চিহ্নে নয়। এই হিপোক্রিট, ক্ষমতার পাগল ধর্মান্ধদের উগ্রতা বন্ধ করতে হলে সমাজকে সাহসী, সৎ, মানবিক ভূমিকা নিতে হবে—না হলে এই অন্ধতা আমাদের ভবিষ্যৎ গিলে ফেলবে।

12 Responses

  1. আমাদের সমাজ হিপক্রেট দিয়ে ভরে গেছে।

  2. আপনার লেখার ধরন কিন্তু আমার খুব ভালো লেগেছে। আপনি এগিয়ে জান।

  3. শালি চুতমারানি বেশ্যা এসব কি বাজে মন্তব্য করছিস?

  4. আপনি লেখার আগে একটু চিন্তা ভাবনা করে লিখবেন,।

  5. খানকি মাগি দারি টুপি দেখলে কি ভোদায় জ্বালা করে?

  6. তুই তো দেখা যায় আস্ত একটা বেয়াদপ মেয়ে!

Leave a Reply to আজাদ রহমান Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *