ঢাকা লিট ফেস্টে নারীবাদীদের পোশাকিয়ে প্রচণ্ড আলোচনা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, “অমুক নারীবাদী কতটা খোলামেলা পোশাক পরলো, সে কি সত্যিকারের নারীবাদী?” বাস্তবতায়, নারীর বেঁচে থাকার জন্য তাকে প্রতিনিয়ত সমাজের চক্ষু দেয়াল, লজ্জা, অসম্মানের ছায়াতলে চলতে হয়। যুদ্ধের ধর্ষণ, বিদেশে কর্মজীবী নারীদের বিশাল কষ্ট—সব আসলে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাতে পারে না।
প্রতিদিন, নারীরা নানা ধরনের গল্পের মধ্যে পাশ কাটান। কোনো গল্পে পোষাকের ছবি দেখে সরাসরি কোনো নারীর চরিত্র নির্ধারণ করা হয়। কেউ কেউ বাসায় পরা সাধারণ পোশাক দেখলে আকাশ থেকে পড়েন। রান্নাঘর থেকে বিছানা, সমুদ্র থেকে বিউটি কনটেস্ট—সবখানেই নারীর শরীর ও পোশাককে বিচারের কাঁচি বানানো হয়েছে।
শৈশবের গল্পগুলোর মতো, “পোশাকের মূল্য” সমাজ দর্পণের ক্রোধ আর অবহেলারই প্রতিফলন। নারীর সম্পূর্ণতা কখনও শরীর, কাপড়, কিংবা সামাজিক নাম দিয়ে নির্ধারিত হতে পারে না। নারীর আসল পরিচয় তার মনন, চিন্তা, দক্ষতা, সাহস, এবং মানবিকতার ভেতর খুঁজে নিতে হবে।
একজন নারী অসুস্থ হলে, তার পোশাকের চিন্তা আর অন্যের কৌতূহলী চোখ, নারীর আভ্যন্তরীণ সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। ঘর, হাসপাতাল, পরিবার—সবখানেই নারীকে শরীরের লজ্জা দিয়ে ছোট করে দেখা হয়। দুর্যোগের মাঝেও, উলঙ্গ হয়ে নারীর বেঁচে থাকার সংগ্রাম কেউ দেখে না, শুধু কাপড় চাই বলে দূর থেকে আওয়াজ তুলতে আসে।
সবার উচিত, নারীর পোশাক, শরীর, সাজসজ্জা নয়; তার চিন্তা, উদ্যম, মানবতা এবং আত্মবোধই নারীবাদের সত্যিকারের পরিচয় হিসেবে গ্রহণ করা। নারী কোনো কল্পনার সুখ, বিছানার পণ্য, কিংবা উলঙ্গ কল্পনাচিত্র নয়। নারী সাহস, শক্তি, মানবিকতা ও আত্মসম্মানের প্রতীক।
36 Responses
মেয়েদের পোশাকে পরিচয় দেখার বদলে তাদের আচরণ ও চরিত্রে গুরুত্ব দেয়া উচিত।
ব্যক্তিত্ব থাকলে পোশাক কেমন তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ হয় না।
সমাজ এখনো অনেকের মাথায় এই বিষয়টা ঢোকাতে পারেনি।
নারীদের সত্ত্বা পোশাক নয়, তাদের বক্তব্য ও আচরণতেই।
কেউ ভালো পোশাক পরলেই মানুষ তাকে অন্য চোখে দেখে, এটা বন্ধ করতে হবে।
ব্যক্তিত্বের অভাব থাকলে সুন্দর পোশাকেও তো আর চরিত্র ভালো দেখাবে না।
পোশাক নিয়ে এত বেশি গুজব, প্রকৃত মানুষটাকে ভুলে যাওয়াই ভুল।
বেশ্যার বেশ্যা। নাস্তিক খাঙ্কি তুই
আজকের সময় পোশাক শুধু ঢাকনা, ব্যক্তিত্বই আসল পরিচয়।
আমাদের সাংস্কৃতিক ধ্যানধারণাই সমস্যার মূল, বদল দরকার।
নিজের ব্যক্তিত্ব গড়তে হবে, পোশাক নয়।
অনেক সময় দেখা যায় পোশাকের ছাপেই মানুষের প্রথম বিচার।
ব্যক্তিত্ব গঠনে শিক্ষা ও পারিবারিক ট্রেনিং সবচেয়ে বড় ভুমিকা।
পোশাকের কারণে কাউকে শুধুমাত্র ভালো বা খারাপ বলা ঠিক নয়।
তোর পুটকি মারবো। চুতমারানি মাগি।
নারীর চরিত্র ও মনোভাব সবচেয়ে বড় তার সম্পদ।
সুন্দর পোশাক পড়লেও যদি ভেতর শুন্য থাকে তবে তা কত লাভ?
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নারী ও পুরুষের চরিত্র গঠনে আরও কাজ করা উচিত।
লক্ষণীয় যে নারী তার ব্যক্তিত্ব বিকশিত করে তবেই সমাজে সম্মান পায়।
পোশাকের পেছনে বেড়িয়ে চরিত্র অন্ধকারে পড়ে যায়।
অসাধুদের পোশাকও সুন্দর হতে পারে, তাই বিচার করা উচিত চরিত্র দিয়ে।
নারীর স্বাধীনতা তাঁর আচরণে ও চিন্তাধারায় প্রকাশ পায়, পোশাক নয়।
নিজের লজ্জা ও আত্মসম্মানের প্রকাশই ব্যক্তিত্বের মূল।
পোশাক সৌন্দর্যবর্ধক, ব্যক্তি সৌন্দর্যের বিকল্প নয়।
ব্যক্তিত্বের গঠন হচ্ছে শিক্ষার সবচেয়ে বড় ফলাফল।
নারীকে তার অন্দরের গুণে বিচার করা দরকার, বাহ্যিক নয়।
পোশাকের আড়ালে থাকা নারীর শক্তি ও আদর্শ উঠে আসে না।
মেয়েরা নিজেদের Shine করুক ব্যক্তিত্ব দিয়ে, পোশাক দিয়ে নয়।
সুন্দর পোশাক পরা মানেই ভালো মানুষ নয়, চিন্তা করো।
তোড় মাইরে চুদই দেই
নিজেকে পরিচয় করানোর প্রধান হাতিয়ার হলো ব্যক্তিত্ব, পোশাক নয়।
আত্মবিশ্বাস ও আদর্শ থাকলেই নারীর সঠিক প্রতিচ্ছবি।
নারী স্বাভাবিকভাবেই সুন্দর, তার চরিত্র ও গুণাবলী থেকে।
যিনি চরিত্র গড়ে তোলেন, তিনি প্রকৃত নারী।
প্রতিটি নারীর নিজের এক স্বতন্ত্র পরিচয় থাকে, যা পোশাক দিয়ে মাপা যায় না।
পোশাক কেবল বাহ্যিক, ব্যক্তিত্ব হলো অন্তরের রূপ।