প্রচলিত মূল্যবোধ আজও নারীকে পুরুষের নিচে। কন্যা শিশু বড় হলেই দেখে—কথা বলার ধরন, পোশাক, চলাফেরা—সবখানে আলাদা নির্দেশ। পিতৃতন্ত্রের বানানো আইনেও নারীজীবন কঙ্কাল হয়ে থাকে। শিক্ষার সুযোগ, আর্থিক স্বাধীনতা—এই স্বপ্নগুলো বারোমাস কেবল কাগজে। আনুষ্ঠানিক আইনে নারী-পুরুষ সম অধিকার থাকলেও বাস্তবে নারীরা সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা পায়। ধর্ষণ, যৌতুক, এসিড নিক্ষেপ—সব অপরাধেই আইন ফাঁক দিয়ে অপরাধীরা বেরিয়ে যায়। সন্তানের অভিভাবকত্ব, সম্পত্তির উত্তরাধিকার—সবখানে নারী আজও বঞ্চিত।
আর ধর্মান্ধ, রক্ষণশীল লোকদের ক্ষমাপ্রার্থী ধারণা—নারীর নিপীড়নকেই ধর্মের ‘নিয়ম’ বানাতে চায়। গ্রাম বাংলার অসংখ্য নারী আজও ষড়যন্ত্র, ফতোয়ার শিকার—গৃহস্থালি, সন্তান লালন, কোনো অংশে ‘ছোট’ নয়, বরং মর্যাদার দাবিদার হওয়া উচিত।
কিন্তু সমাধানটা শহুরে বক্তৃতায় নয়—সবার প্রচেষ্টায়।
-
নারীর স্বার্থরক্ষাকারী আইন চাই; বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তি, সন্তানের অভিভাবকত্বে—পুরুষ-নারী সম অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
-
শিক্ষার দুয়ারে পৌঁছাতে হবে সবাইকে। নারীর মত প্রকাশ, রাজনীতি, সিদ্ধান্তগ্রহণ—সর্বত্র জায়গা দিতে হবে।
-
গণমাধ্যমে নারীকে সম্মানজনকভাবে উপস্থাপন করতে হবে; নেতিবাচক, উপহাসের চিত্র নয়।
-
নারী-পুরুষ উভয় ঘরে-বাইরে কাজ ও দায়িত্বে যেন সমান অংশ নিতে পারে—এটাই কর্তব্য।
-
রক্ষণশীল ফতোয়ার রাজনীতি—বন্ধ জরুরি। ধর্মকে পুঁজি করে নারীকে আটকে রাখার সময় শেষ।
সময় এসেছে নারীর প্রতিবাদের গল্পে সাহস যোগানোর। উন্নয়নের নামে নারীর অবমূল্যায়ন আর কোনোভাবেই মেনে নেয়া চলবে না। পুরুষের ‘সাফল্যেও’ নারীর অবদান আছে—এটা বলতে হবে গর্বে, লজ্জায় নয়। এবার ভয় নয়, প্রতিবাদের ভাষায়—আমাদের পরিচয় আমরা মানুষ, মেয়ে বলে অবলা—এইসকল অন্যায় পিছু হটানোর সাহসী গল্পই হোক নতুন বাংলাদেশ।
10 Responses
বাহ খুব ভালো হয়েছে আপনার লেখা।
নারীদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।
আপনার কথার সাথে একমত হতে পারলাম না। আমাদের সমাজে নারীরাই নারীদের শত্রু
আপু লেখা চালিয়ে জান।
ফালতু লেখা।
আপনি কি নারীবাদী?
চমৎকার লিখেছেন।
আজাইরা পেঁচাল। যতসব।
আরেক নারীবাদীর জন্ম হল নাকি?
আপনার লেখনী অনেক ভাল