বাংলাদেশে সমকামী পরিচয়ের সংকট, বৈষম্যের ভুল চক্রে মানুষ

বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, নেদারল্যান্ড থেকে শুরু—বিভিন্ন দেশ সমলিঙ্গের বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ করেছে। জাতিসংঘ পর্যন্ত বলেছে, যৌন পরিচয় বা আকাঙ্ক্ষার জন্য কাউকে বন্দী, নির্যাতন, হত্যা—এটা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন। কিন্তু বাংলাদেশে এখনও সেই আইন, সেই সামাজিক রীতি, সেই হিংস্রতা—যেখানে LGBT মানুষের স্বাধীনতা নেই, ‘অস্তিত্ব’ পর্যন্ত অস্বীকার করা হয়।

অবাক লাগে, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, মানবাধিকার সংগঠন—সব জায়গাতেই LGBT স্বীকৃতি, সমান সুযোগ, অধিকার নিয়ে স্পষ্ট কথা বলা হচ্ছে। দুই-একজন মন্ত্রী বা কমিশন বললেই কি সমাজ বদলে যায়? শিক্ষামূলক সংগঠনগুলোর চেষ্টা চোখে পড়ে—তারা বৈষম্যের বিপক্ষে শিক্ষার লড়াই চালাচ্ছে। কিন্তু, লোক দেখানো আন্দোলন, বক্তৃতার আলোয় বাস্তব সংকট ঢাকা পড়ে না।

আমরা যারা সমকামী—ভালোবাসতেও ভুলে যাচ্ছি, নিজেকে ঘৃণা করতে করতে মানুষের মতো অস্তিত্ব ভুলে ফেলছি। মানুষ দেখতে, শুনতে, বুঝতে—সব আমাদেরই, শুধু সমাজের চোখে পশু। আইনের ছায়া আমাদের মাথায় ঠিকই পড়ে, কিন্তু তার নিচে বাঁচার অধিকার নেই।

প্রকৃত পরিবর্তন দরকার—কাগজের আইনে নয়, মননে-সংস্কারে। LGBT মানুষকে মানুষ ভাবতে শিখলেই তো যোগফল মিলে যাবে। আমাদের আর মানুষ হতে অভিনয় করতে হবে না, সমাজের দৃষ্টি বদলালেই স্বাভাবিক বেঁচে থাকা সহজ হবে। কিন্তু এ সমাজ কি সত্যিই আমাদের সে সুযোগ দেবে?

34 Responses

  1. এমন কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে যায়। আমাদের সমাজ এখনো এসব নিতে পারে না।

  2. ভাই, বাস্তবে এই ধরনের বিষয় নিয়ে কথা বলা রিস্কি।

  3. বুঝলাম, এত সহজ নয় নিজের পরিচয় প্রকাশ করা।

  4. আমরা তো ছোটবেলায় এসব ভাবতামই না। এখন দেখি, মানুষ কত কষ্টে আছে।

  5. জীবন নিয়ে এত টানাপোড়েন কেন হবে?

  6. সমাজ শুধু নিজের দিক থেকেই দেখে, অন্যের দুঃখ বুঝতে চায় না।

  7. সবাই চায় স্বাভাবিক জীবন, কিন্তু আমাদের সংস্কৃতিতে সেটা মেলে না।

  8. এভাবে বঞ্চিত হয়ে থাকা খুব কষ্ট। কথা বললেই সবাই দূরে চলে যায়।

  9. মানুষ তো মানুষ, কে কাকে ভালোবাসবে সেটা নিয়ে এত বিরোধ কেন?

  10. যারা নিজেদের প্রকাশ করে, তাদের সাহসের সত্যিই প্রশংসা করি।

  11. ভয় লাগে, এসব নিয়ে কথা বলতে গেলে চারপাশে কেমন জানি কেমন অস্বস্তি।

  12. কখনো কখনো মনে হয়, সমাজ শুধু বাহ্যিক বিচারেই এগিয়ে যায়।

  13. শুনতে ভারি লাগে এই ঘটনাগুলো, কাউকে সহজে বুঝানো যায় না।

  14. কারো ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়ে কেমন ঠান্ডা ব্যবহার করে সবাই।

  15. প্রতিনিয়ত কষ্টের গল্প শুনি, কেউ পাশে দাঁড়ায় না।

  16. বিচার করতে গেলে নিজেদের চোখে দেখা উচিত, শুধু ধর্ম দিয়ে নয়।

  17. নতুন চিন্তা দরকার, পুরনো নিয়মে প্রতিবন্ধকতা আসবেই।

  18. সামাজিক চাপে মানুষ না পারছে পরিবারে শান্তি রাখতে, না পারছে নিজের মতো থাকতে।

  19. এই সংকটের মধ্যে যারা আছে, তাদের জন্য একটু মানবিকতা দরকার।

  20. যে বিষয় নিয়ে কেউ কথা বলতে চায় না, সেইটা নিয়ে কথা বলেছো, সাহসিকতা।

  21. কেউ চাইলে তার কষ্টের কথা শেয়ার করতে পারে, বিপদে যেন কেউ একা না থাকে।

  22. প্রতিদিনই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসে, সমাজ একটুও বদলায় না।

  23. নিজের পরিচয় গোপন রাখতে হয়, সমাজের ভয়ে এমন জীবন কে চায়?

  24. নিজেরে বোঝাতে সবাই ব্যস্ত, অন্যের কষ্ট বুঝবে কে?

  25. সবাই নিয়ে চলা সহজ নয়, সমাজ নিজের নিয়মে চলে।

  26. এইসব বিষয়ে পরিবার খুব কঠিন অবস্থানে দাঁড়িয়ে থাকে।

  27. তোর চেহারা তো অনেক সুন্দর আয় তরে চুদি।

  28. ছি ছি বলে দুঃখের কথা শুনতে বাধ্য, সেটা মানবিক নয় ভাই।

  29. যতবার এসব শুনি, মনে হয় সমাজ এখনো অনেক পিছিয়ে।

  30. ব্যানার টানিয়ে ‘ভুল চক্র’ বলার সুযোগ নেই, আসলে মানুষই ভুল চক্রে আছে।

  31. নিজেকে পরিচয় দিতে না পারা সত্যি বড় কষ্ট। ভালোবাসার স্বাধীনতা প্রয়োজন।

  32. জীবনটা সহজ করা বড় কঠিন, সবাই ঠিক এমনটা চায় না।

Leave a Reply to আসিফুল ইসলাম Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *