প্রথমেই পরিষ্কার করে বলা জরুরি—সমকামিতা কোনো মানসিক রোগ নয়, কোন অস্বাভাবিকতা বা অক্ষমতা নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯০ সালে একে মানসিক রোগের তালিকা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও মনোস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং অনলাইন গবেষণাও বলছে—সমলিঙ্গে আকর্ষণ, উভকামিতা, এসব মানুষের স্বাভাবিক যৌন পরিচয় ও অনুভূতি। কোন চিকিৎসার দরকার নেই, কোন থেরাপিতে ‘সুস্থ’ হওয়ার বিষয় নেই।
অনেকে প্রশ্ন করেন, ‘চিকিৎসা দিয়ে কি সমকামিতা চলে যাবে?’ বাস্তবে, যৌন পরিচয় “শোধরানো”র জন্য ডাক্তারি পদ্ধতি তো নেই, তথাকথিত থেরাপি কেবলই ক্ষতি করে। এসব “প্রতিকার” চেষ্টা মানেই হয়রানি বাড়ানো, ভুল ধারণা ছড়ানো এবং মানুষের অধিকার হরণ। বরং, নিরাপদ পরিবেশ এবং সম্মানই চাই।
সমকামীতা কোনো পাশ্চাত্যের ধারণা নয়। ইতিহাস, সাহিত্য, চিত্রকলা, এমনকি প্রাণি গবেষণাতেও প্রমাণ—সমলিঙ্গে প্রেম আর আকর্ষণ মানব সভ্যতার আদিকাল থেকেই আছে। পঞ্চাশ জনের মাঝে এক-দুইজন থেকে দশজন পর্যন্ত—সব সমাজেই এই বৈচিত্র্য স্বাভাবিক। আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশেও একে ঘৃণা নয়, বরং শিল্প-সংস্কৃতির অংশ হিসেবেই দেখা যায়।
কেউ কেউ বলে, ‘ধর্ম, সংস্কৃতি এসব সমকামীদের প্রতি বৈষম্য সমর্থন করে।’ বাস্তবে, যেমন বর্ণবাদ, নারীবিদ্বেষ/লিঙ্গবৈষম্য অসমর্থনযোগ্য—তেমনই যৌন পরিচয় নিয়ে বৈষম্য, নিপীড়ন, হত্যা কোনোভাবেই মানবিক নয়। ধর্ম আজ বরং মানবিকতার শিক্ষা দেয়, সংবিধান বলে সমান সম্মান ও অধিকার পাওয়ার কথা।
আজকের সমকামী অধিকার আন্দোলন সংগ্রাম করছে, কলম চালিয়ে যাচ্ছে, ছড়িয়ে দিচ্ছে সাহস আর নতুন দিনের আশা। ভয়, হত্যা, নিপীড়ন কোনো সমাধান নয়। অধিকার নিশ্চয়ই প্রতিষ্ঠিত হবে—আপনি মানুন, না মানুন। আমাদের সাহসী তরুণ যেমন জুলহাজ মান্নান-রাব্বি তনয়, তাদের রক্ত যেন আর না ঝরে। সমকামী, উভকামী মানুষও এর স্বাভাবিক জীবন, স্বাভাবিক নিরাপত্তা, ভালোবাসার স্বপ্ন নিয়েই বাঁচবে। কোনো হুমকি আর থামবে না, আমরা থামব না।
শেষ কথা, ভালোবাসা ও বৈচিত্র্য কোন দেশ-কাল-ধর্মের দেয়ালে আটকে যায় না। চিকিৎসা নয়, সামাজিক সম্মান আর মানবিক নিরাপত্তাই সমকামী মানুষের জন্য সবচেয়ে জরুরি।
37 Responses
আয় আমার নুনু টা চুষে দে মাগি।
চিকিৎসা নয়, বরং তাদের অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে।
আমাদের সমাজে এখনও অনেক পূর্বাগ্রহ বিদ্যমান, যা দূর করা জরুরি।
সমকামিতা কোনো রোগ নয়, বরং এটি মানুষের নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয়।
আইন ও সমাজ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে দ্রুত।
ভণ্ড সমাজ ব্যবস্থা ও পরিবার থেকেই সবচেয়ে বড় অবিচার হয় তাদের প্রতি।
যুদ্ধ নয়, ভালোবাসা ও সহমর্মিতাই পারে সমস্যার সমাধান আনতে।
বিচ্ছিন্নতা নয়, অন্তর্ভুক্তি হতে হবে তাদের জন্য।
সবাই একটি সমাজে বাস করে, তাই সম্মান নিশ্চিত করা উচিত।
সমকামীতা নিয়ে ভুল ধারনা দূর করতে হবে শিক্ষার মাধ্যমে।
অমানবিকতা বরদাস্ত নয়, সবাই মিলেমিশে থাকতে পারবে।
অবহেলা নয়, সহানুভূতির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।
সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।
আইনি রক্ষার ব্যবস্থা না থাকলে তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে যাবে।
অন্তর্ভুক্ত সমাজ গঠন না করলে উন্নতি সম্ভব নয়।
সমাজকে তাদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে হবে।
ধর্মীয় ও সামাজিক প্রচলিত মানসিকতা পরিবর্তন প্রয়োজন।
তাদের জীবন নিরাপদ ও সম্মানজনক হওয়া উচিত।
বিচার ও মানবাধিকারের আলোকে তারা মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপন করবে।
অন্যায়, অবহেলা ও বৈষম্য বন্ধ করতে আইন প্রণয়ন আবশ্যক।
সমাজ তাদের শুধু মেনে নিলে চলবে না, তাদের রক্ষা করতে হবে।
সমকামী সম্প্রদায়ের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব সমাজকে হাল না নষ্ট করবে।
ধৈর্য ও মানবিকতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।
আমাদের সবাইকে অসাম্প্রদায়িক হতে হবে।
এলজিবিটি সম্প্রদায়ের অধিকারকে সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
সহানুভূতি ছাড়া কোনো সমস্যা সমাধান হয় না।
তাদের সুরক্ষা ও সম্মান নিশ্চিত করতে সক্রিয় অবদান রাখা দরকার।
আদর্শ সমাজ হলো যেখানে সবাই নিরাপদ থাকবে।
সমকামিদের প্রতি সহানুভূতি সমাজের মানবিকতার পরিচয়।
মানবাধিকারের প্রতি অমর্যাদা আর নয়।
সমাজের উন্নয়ন প্রয়োজন তাদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে।
চিকিৎসার নামে অপমান কমালে চলবে না, সম্মান ও নিরাপত্তাও দরকার।
সমকামী সম্প্রদায়ের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন জরুরি।
ধর্মীয় শিক্ষায় সমঝোতা বাড়ানো প্রয়োজন।
ব্যক্তিগত স্বাধীনতার জন্য সম্মান প্রয়োজন।
সমাজ যদি তাদেরকে গালমন্দ করে, তাহলে মানবতা কোথায় থাকবে?
নিরাপত্তাহীনতায় তাদের জীবন অতিসংকটাপন্ন।